
নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি ;
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় সন্ধ্যা নদীর ভয়াবহ ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি প্রাক-প্রতিরক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে উপজেলার ছারছীনা শরীফের সামনের অংশ ও কামারকাঠি মোল্লাবাড়ী এলাকায় নদীতে জিওব্যাগ ফেলার মাধ্যমে ভাঙনরোধ কাজের উদ্বোধন করা হয়। পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ছারছীনা এলাকায় ৮৪ মিটার নদীতীর সংরক্ষণে ৫৬ লাখ টাকা এবং কামারকাঠি মোল্লাবাড়ী সংলগ্ন ১৪০ মিটার এলাকায় ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ভাঙন প্রতিরোধ কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মোট ৯৩ লাখ টাকার এ প্রকল্প পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সন্ধ্যা নদীর তীব্র ভাঙনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে পড়ে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছিল। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মাঝে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নুসাইর হোসেন, ছারছীনা মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম, নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের, পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. জসিম বাহাদুরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, কাউখালির আমরাজুড়ি ফেরিঘাটের দুই প্রান্ত, ছারছীনা ও কামারকাঠি মোল্লাবাড়ী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও টেকসই কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে জনপদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও মানুষের জীবিকা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, আপাতত জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ব্লক নির্মাণের কাজও বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি নেছারাবাদের অন্যান্য ভাঙনকবলিত এলাকাতেও ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Reporter Name 














