
সম্প্রতি কিছু প্রিন্ট ও অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে “ঘুষ দিয়েও হয়নি কাজ, প্রকৌশলীর অফিসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রবাসীর স্ত্রী” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে স্বরূপকাঠি পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ একপাক্ষিক, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
প্রকৃতপক্ষে, ভবন নির্মাণের অনুমোদনের ক্ষেত্রে সরকারি বিধি অনুযায়ী সয়েল টেস্ট, নকশা প্রণয়ন, আবেদন ফি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করতে হয়। সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর ক্ষেত্রেও নিয়ম অনুযায়ী এসব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিভিন্ন দাপ্তরিক ও কারিগরি ব্যয়কে উদ্দেশ্যমূলকভাবে “ঘুষ” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সত্য নয়।
এছাড়া তিনি গত ২৩/১০/২৫ আবদেন করেছেন এবং অফিসে জমা হয়েছে ০১/০২/২০২৬ইং অফিসে টাকা জমা দিয়েছে ২৪ হাজার অথচ তিনি দাবি করেছেন ৫৩হাজার যা আদৌ সত্যি নয়। সয়েল টেষ্ট এবং প্লানের জন্য বাদ বাকি দিয়েছেন সেটা পৌর কতৃপক্ষের জানার কথা নয়। তাছাড়া ফাইলটি অনুমোদন জন্য একটা মিটিং এ উপস্থাপন করার সুযোগ হয়নি।সুতারং তার বক্তব্য সঠিক নয়৷
এবং উক্ত সংবাদে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি বলেও আমরা মনে করি। কোনো ধরনের তদন্ত বা সত্যতা যাচাই ছাড়াই জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আমরা এ ধরনের ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে ভবিষ্যতে বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
স্বরূপকাঠি পৌরসভার
নেছারাবাদ পিরোজপুর।
Reporter Name 
























