Dhaka ০৪:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা পুকুরে ডুবে একই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি দুই বছরেও কলেজে আসেননি সভাপতি, কাগজে-কলমে চলছে দায়িত্ব পালন! কাউখালীতে চরম নেটওয়ার্ক ভোগান্তি: সরকারি টেলিটক সেবা নিশ্চিত করার দাবি গ্রাহকদের সাতক্ষীরায় প্রবীণ ভিক্ষুককে পুনর্বাসনে ছাগল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরা সদর থানার দেয়ালেই অবৈধ স্থাপনার রাজত্ব! জনদূর্ভোগ চরমে সাতক্ষীরাকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর অবস্থান, নতুন ২৩ আদালতে দ্রুত জনবল নিয়োগের আশ্বাস কলারোয়ায় খাস জমির পজেশন বিক্রির অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে মিলেছে প্রাথমিক সত্যতা সাতক্ষীরার বিচার বিভাগের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা হবে: আইনমন্ত্রী সাতক্ষীরায় ট্রি অব লাইফের উদ্যোগে ৩ হাজার পানিবন্দি ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ

ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগে বদলি হওয়া কর্মচারী ফের কাউখালীতে পদায়ন ছয় মাসের ব্যবধানে পুনর্বহালে জনমনে ক্ষোভ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ৮৬ Time View

 

 

কাউখালী  প্রতিনিধি

 

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. রায়হান খানকে ঘুষ, অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে তদন্তের পর বদলি করা হলেও মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে আবার একই উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণ ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, উপকারভোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, ঘুষ গ্রহণ এবং সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ ওঠে রায়হান খানের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্বজল মোল্লা তদন্ত পরিচালনা করেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

পরবর্তীতে তাকে ইন্দুরকানী উপজেলায় বদলি করা হয়। তিনি ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সেখানে যোগদান করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আগেই তাকে পুনরায় কাউখালী উপজেলায় পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরও কীভাবে একই কর্মস্থলে তাকে পুনর্বহাল করা হলো। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বলে মন্তব্য করেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।

তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. রায়হান খান। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ।”

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “পূর্ববর্তী তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গিয়েছিল। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, “বিষয়টি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে বদলির আদেশ স্থগিতসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা পুকুরে ডুবে একই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগে বদলি হওয়া কর্মচারী ফের কাউখালীতে পদায়ন ছয় মাসের ব্যবধানে পুনর্বহালে জনমনে ক্ষোভ

Update Time : ০২:৪১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

 

 

কাউখালী  প্রতিনিধি

 

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. রায়হান খানকে ঘুষ, অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে তদন্তের পর বদলি করা হলেও মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে আবার একই উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণ ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, উপকারভোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, ঘুষ গ্রহণ এবং সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগ ওঠে রায়হান খানের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) স্বজল মোল্লা তদন্ত পরিচালনা করেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

পরবর্তীতে তাকে ইন্দুরকানী উপজেলায় বদলি করা হয়। তিনি ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সেখানে যোগদান করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আগেই তাকে পুনরায় কাউখালী উপজেলায় পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরও কীভাবে একই কর্মস্থলে তাকে পুনর্বহাল করা হলো। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বলে মন্তব্য করেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।

তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. রায়হান খান। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ।”

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “পূর্ববর্তী তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গিয়েছিল। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, “বিষয়টি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে বদলির আদেশ স্থগিতসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

Spread the love