Dhaka ০৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুরক্ষায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প সাতক্ষীরা হবিগঞ্জে হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় এনসিপির প্রতিবাদ সভা সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে আর বিলম্ব নয়, সরকারের প্রতি আহ্বান কাউখালীতে সাড়ে তিন হাজার মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ কাউখালীতে একই এলাকায় পরপর তিন চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী সাপাহারে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ, ক্ষতি দেড় লাখের বেশি ফেসবুকের প্রেমে বাল্যবিয়ে, ৭ মাসের সন্তান ফিরে পেল ১৩ বছরের কিশোরী মা ডাকাতি-চুরি প্রতিরোধে নেছারাবাদে রাতের পাহারা, পুলিশ-জনতার যৌথ উদ্যোগ উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেককে সংবর্ধনা

কাউখালীতে ৭ বছরেও শেষ হয়নি ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার গার্ডার ব্রিজ/ সুপারি গাছের সাঁকো পেরিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত

 

কাউখালী প্রতিনিধি;

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ফলোইবুনিয়া গ্রামের লক্ষণ মিস্ত্রির বাড়ির সামনে নির্মাণাধীন একটি গার্ডার ব্রিজের কাজ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে দীর্ঘ প্রায় সাত বছরেও সম্পন্ন হয়নি। ফলে ব্রিজটি এলাকাবাসীর কোনো কাজে না এসে উল্টো দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর আওতায় ১ কোটি ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৩ টাকা ব্যয়ে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ ২০১৯ সালের ৬ জানুয়ারি শুরু হয়। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ভান্ডারিয়ার মেসার্স ইশান এন্টারপ্রাইজ। চুক্তি অনুযায়ী ২০২০ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আজও অ্যাপ্রোচ সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

বর্তমানে ব্রিজটির দুই পাশের অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকেই সুপারি গাছ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী সাঁকো ব্যবহার করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজে ওঠানামা করছেন।কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণভাবে সুপারি গাছের সাঁকো ব্যবহার করে চলাচল করছে। যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ রুবেল বলেন, ব্রিজটির কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। অ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকায় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা খুব কষ্ট করে যাতায়াত করছে। আমরা দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইশান এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন বলেন,আমরা এ পর্যন্ত প্রায় ৮২ লাখ টাকার কাজ সম্পন্ন করেছি। কিন্তু এখনো কোনো বিল হাতে পাইনি। এলজিইডি অফিসে বিল সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বিল পেলে বাকি কাজ দ্রুত শেষ করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ হোসাইন রাসেল বলেন, “ব্রিজটির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এলাকাবাসী ভোগান্তিতে রয়েছে, বিষয়টি আমরা অবগত আছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিলসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুরক্ষায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

কাউখালীতে ৭ বছরেও শেষ হয়নি ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার গার্ডার ব্রিজ/ সুপারি গাছের সাঁকো পেরিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত

Update Time : ০২:০২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

 

কাউখালী প্রতিনিধি;

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ফলোইবুনিয়া গ্রামের লক্ষণ মিস্ত্রির বাড়ির সামনে নির্মাণাধীন একটি গার্ডার ব্রিজের কাজ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে দীর্ঘ প্রায় সাত বছরেও সম্পন্ন হয়নি। ফলে ব্রিজটি এলাকাবাসীর কোনো কাজে না এসে উল্টো দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর আওতায় ১ কোটি ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৩ টাকা ব্যয়ে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ ২০১৯ সালের ৬ জানুয়ারি শুরু হয়। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ভান্ডারিয়ার মেসার্স ইশান এন্টারপ্রাইজ। চুক্তি অনুযায়ী ২০২০ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আজও অ্যাপ্রোচ সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

বর্তমানে ব্রিজটির দুই পাশের অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকেই সুপারি গাছ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী সাঁকো ব্যবহার করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজে ওঠানামা করছেন।কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণভাবে সুপারি গাছের সাঁকো ব্যবহার করে চলাচল করছে। যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ রুবেল বলেন, ব্রিজটির কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। অ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকায় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা খুব কষ্ট করে যাতায়াত করছে। আমরা দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইশান এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন বলেন,আমরা এ পর্যন্ত প্রায় ৮২ লাখ টাকার কাজ সম্পন্ন করেছি। কিন্তু এখনো কোনো বিল হাতে পাইনি। এলজিইডি অফিসে বিল সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বিল পেলে বাকি কাজ দ্রুত শেষ করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ হোসাইন রাসেল বলেন, “ব্রিজটির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এলাকাবাসী ভোগান্তিতে রয়েছে, বিষয়টি আমরা অবগত আছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিলসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Spread the love