Dhaka ০৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারেংকাঠির ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সাইফুল ইসলাম মর্তুজা সাতক্ষীরা নতুন নেতৃত্বে যুব ঐক্য পরিষদ ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন! কাউখালীতে ৫ ইউপি চেয়ারম্যানের দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক অচলাবস্থা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ কাউখালীতে বিপুল পরিমাণ কার্তুজ ও ভুয়া পুলিশ আইডিসহ যুবক গ্রেপ্তার: সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরা পুকুরে ডুবে একই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি দুই বছরেও কলেজে আসেননি সভাপতি, কাগজে-কলমে চলছে দায়িত্ব পালন! কাউখালীতে চরম নেটওয়ার্ক ভোগান্তি: সরকারি টেলিটক সেবা নিশ্চিত করার দাবি গ্রাহকদের সাতক্ষীরায় প্রবীণ ভিক্ষুককে পুনর্বাসনে ছাগল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরা সদর থানার দেয়ালেই অবৈধ স্থাপনার রাজত্ব! জনদূর্ভোগ চরমে

কাউখালীতে ৭ বছরেও শেষ হয়নি ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার গার্ডার ব্রিজ/ সুপারি গাছের সাঁকো পেরিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত

 

কাউখালী প্রতিনিধি;

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ফলোইবুনিয়া গ্রামের লক্ষণ মিস্ত্রির বাড়ির সামনে নির্মাণাধীন একটি গার্ডার ব্রিজের কাজ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে দীর্ঘ প্রায় সাত বছরেও সম্পন্ন হয়নি। ফলে ব্রিজটি এলাকাবাসীর কোনো কাজে না এসে উল্টো দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর আওতায় ১ কোটি ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৩ টাকা ব্যয়ে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ ২০১৯ সালের ৬ জানুয়ারি শুরু হয়। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ভান্ডারিয়ার মেসার্স ইশান এন্টারপ্রাইজ। চুক্তি অনুযায়ী ২০২০ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আজও অ্যাপ্রোচ সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

বর্তমানে ব্রিজটির দুই পাশের অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকেই সুপারি গাছ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী সাঁকো ব্যবহার করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজে ওঠানামা করছেন।কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণভাবে সুপারি গাছের সাঁকো ব্যবহার করে চলাচল করছে। যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ রুবেল বলেন, ব্রিজটির কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। অ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকায় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা খুব কষ্ট করে যাতায়াত করছে। আমরা দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইশান এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন বলেন,আমরা এ পর্যন্ত প্রায় ৮২ লাখ টাকার কাজ সম্পন্ন করেছি। কিন্তু এখনো কোনো বিল হাতে পাইনি। এলজিইডি অফিসে বিল সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বিল পেলে বাকি কাজ দ্রুত শেষ করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ হোসাইন রাসেল বলেন, “ব্রিজটির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এলাকাবাসী ভোগান্তিতে রয়েছে, বিষয়টি আমরা অবগত আছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিলসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সারেংকাঠির ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সাইফুল ইসলাম মর্তুজা

কাউখালীতে ৭ বছরেও শেষ হয়নি ১ কোটি ১৪ লাখ টাকার গার্ডার ব্রিজ/ সুপারি গাছের সাঁকো পেরিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত

Update Time : ০২:০২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

 

কাউখালী প্রতিনিধি;

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ফলোইবুনিয়া গ্রামের লক্ষণ মিস্ত্রির বাড়ির সামনে নির্মাণাধীন একটি গার্ডার ব্রিজের কাজ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে দীর্ঘ প্রায় সাত বছরেও সম্পন্ন হয়নি। ফলে ব্রিজটি এলাকাবাসীর কোনো কাজে না এসে উল্টো দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর আওতায় ১ কোটি ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৩ টাকা ব্যয়ে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ ২০১৯ সালের ৬ জানুয়ারি শুরু হয়। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ভান্ডারিয়ার মেসার্স ইশান এন্টারপ্রাইজ। চুক্তি অনুযায়ী ২০২০ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আজও অ্যাপ্রোচ সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

বর্তমানে ব্রিজটির দুই পাশের অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকেই সুপারি গাছ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী সাঁকো ব্যবহার করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজে ওঠানামা করছেন।কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণভাবে সুপারি গাছের সাঁকো ব্যবহার করে চলাচল করছে। যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ রুবেল বলেন, ব্রিজটির কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। অ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকায় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা খুব কষ্ট করে যাতায়াত করছে। আমরা দ্রুত কাজটি সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইশান এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন বলেন,আমরা এ পর্যন্ত প্রায় ৮২ লাখ টাকার কাজ সম্পন্ন করেছি। কিন্তু এখনো কোনো বিল হাতে পাইনি। এলজিইডি অফিসে বিল সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বিল পেলে বাকি কাজ দ্রুত শেষ করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ হোসাইন রাসেল বলেন, “ব্রিজটির কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এলাকাবাসী ভোগান্তিতে রয়েছে, বিষয়টি আমরা অবগত আছি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিলসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Spread the love