Dhaka ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারেংকাঠির ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সাইফুল ইসলাম মর্তুজা সাতক্ষীরা নতুন নেতৃত্বে যুব ঐক্য পরিষদ ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন! কাউখালীতে ৫ ইউপি চেয়ারম্যানের দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক অচলাবস্থা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ কাউখালীতে বিপুল পরিমাণ কার্তুজ ও ভুয়া পুলিশ আইডিসহ যুবক গ্রেপ্তার: সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরা পুকুরে ডুবে একই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি দুই বছরেও কলেজে আসেননি সভাপতি, কাগজে-কলমে চলছে দায়িত্ব পালন! কাউখালীতে চরম নেটওয়ার্ক ভোগান্তি: সরকারি টেলিটক সেবা নিশ্চিত করার দাবি গ্রাহকদের সাতক্ষীরায় প্রবীণ ভিক্ষুককে পুনর্বাসনে ছাগল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরা সদর থানার দেয়ালেই অবৈধ স্থাপনার রাজত্ব! জনদূর্ভোগ চরমে

কাউখালীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক ভবন সংকট, অধিকাংশ কোয়ার্টার পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি;

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় বসবাসে চরম সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি অফিস সময়ের বাইরে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন কাজকর্ম করতে পারছেনা সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা। যার ফলে অনেকাংশেই পিছিয়ে পড়ছে এলাকার উন্নয়ন।

 

অত্র উপজেলায় ৩২ টি সরকারি দপ্তরের মধ্যে ২৭ টি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপজেলায় আবাসিক ভবনে থাকার কথা। অথচ এদের থাকার জন্য কোন ভবন নেই। এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার জানান, উপজেলায় আবাসিক ভবন না থাকার কারণে সরকারি কর্মকর্তাদের বাহিরে বসবাস করতে হয়। যার ফলে সরকারি অফিসিয়াল কাজকর্ম করতে অনেক সময় সমস্যার সৃষ্টি হয়। এছাড়া বাহিরে বসবাস করার কারণে নিরাপত্তাহীনতায়ও ভুগতে হয়।

জাতীয় পার্টি এরশাদ সরকারের আমলে ১৯৮৫ সালে উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বসবাসের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জন্য আবাসিক ভবন, উপজেলা চেয়ারম্যানের জন্য আবাসিক ভবন এবং একটি গেজেটেড কর্মকর্তা ভবন, একটি নন গেজেটেড কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবনসহ তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য আরো তিনটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। কালের পরিবর্তে উপজেলা চেয়ারম্যানের আবাসিক ভবন পরিত্যক্ত হলে নতুন আবাসিক ভবন তৈরির কাজ চলমান। অথচ গেজেটেড কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য পুরাতন চারটি ভবন পরিত্যাক্ত হলেও নতুন করে কোন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই উপজেলায় থেকে অফিস করতে পারেন না। যার ফলে অনেক সময় সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আবাসিক সংকটের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, আমি যোগদান করার পর ভবন সংকটের বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। বর্তমানে পিরোজপুর-২ আসনে নব নির্বাচিত এমপি আহমদ সোহেল মনজুর মহোদয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। আমরা তার কাছে আমাদের সমস্যার বিষয়গুলো উপস্থাপন করব। আমরা আশাবাদী অতিদ্রুত এই সমস্যাগুলোর সমাধান পাবো।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সারেংকাঠির ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সাইফুল ইসলাম মর্তুজা

কাউখালীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক ভবন সংকট, অধিকাংশ কোয়ার্টার পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ

Update Time : ০৮:৫২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি;

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় বসবাসে চরম সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি অফিস সময়ের বাইরে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন কাজকর্ম করতে পারছেনা সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা। যার ফলে অনেকাংশেই পিছিয়ে পড়ছে এলাকার উন্নয়ন।

 

অত্র উপজেলায় ৩২ টি সরকারি দপ্তরের মধ্যে ২৭ টি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপজেলায় আবাসিক ভবনে থাকার কথা। অথচ এদের থাকার জন্য কোন ভবন নেই। এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার জানান, উপজেলায় আবাসিক ভবন না থাকার কারণে সরকারি কর্মকর্তাদের বাহিরে বসবাস করতে হয়। যার ফলে সরকারি অফিসিয়াল কাজকর্ম করতে অনেক সময় সমস্যার সৃষ্টি হয়। এছাড়া বাহিরে বসবাস করার কারণে নিরাপত্তাহীনতায়ও ভুগতে হয়।

জাতীয় পার্টি এরশাদ সরকারের আমলে ১৯৮৫ সালে উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বসবাসের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জন্য আবাসিক ভবন, উপজেলা চেয়ারম্যানের জন্য আবাসিক ভবন এবং একটি গেজেটেড কর্মকর্তা ভবন, একটি নন গেজেটেড কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবনসহ তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য আরো তিনটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। কালের পরিবর্তে উপজেলা চেয়ারম্যানের আবাসিক ভবন পরিত্যক্ত হলে নতুন আবাসিক ভবন তৈরির কাজ চলমান। অথচ গেজেটেড কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য পুরাতন চারটি ভবন পরিত্যাক্ত হলেও নতুন করে কোন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই উপজেলায় থেকে অফিস করতে পারেন না। যার ফলে অনেক সময় সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আবাসিক সংকটের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, আমি যোগদান করার পর ভবন সংকটের বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। বর্তমানে পিরোজপুর-২ আসনে নব নির্বাচিত এমপি আহমদ সোহেল মনজুর মহোদয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। আমরা তার কাছে আমাদের সমস্যার বিষয়গুলো উপস্থাপন করব। আমরা আশাবাদী অতিদ্রুত এই সমস্যাগুলোর সমাধান পাবো।

Spread the love