Dhaka ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেককে সংবর্ধনা শ্যামনগরে চৌকিদার প্যারেড পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, অপরাধ দমনে তৎপরতার নির্দেশ সাতক্ষীরায় বিজিবির মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠান, উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আর্থ জার্নালিজম নেটওয়ার্কের ফেলোশিপ পাওয়ায় আহসান রাজীবকে সাংবাদিক কেন্দ্রের অভিনন্দন কাউখালীতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু কাউখালীতে জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৮ সাতক্ষীরায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির মতবিনিময় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

কাউখালীতে বেকুটিয়া সেতুর নিচে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সরকারি জায়গা ও নদী দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের অভিযান

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ১৩১ Time View

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

 

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতুর নিচে সরকারি জায়গা ও নদীর অংশ দখল করে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কাউখালী প্রান্তে বেকুটিয়া সেতুর নিচে পর্যটন এলাকার সরকারি জায়গা ও নদীর অংশ দখল করে কয়েকজন ব্যক্তি কংক্রিটের ঢালাই ও লোহার অ্যাঙ্গেল ব্যবহার করে রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকান নির্মাণের চেষ্টা করেন। এতে এলাকার পরিবেশ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

 

বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে সংশ্লিষ্ট দখলদারদের আগে থেকেই নোটিশ দিয়ে স্বেচ্ছায় স্থাপনা অপসারণের জন্য সময় দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সরকারি জায়গা ও নদী দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু বর্তমানে একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ সুযোগে একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এ এলাকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট। সরকারি জায়গা কিংবা নদী দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না। কেউ আইন অমান্য করে এমন কর্মকাণ্ডে জড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

 

প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তারা পর্যটন এলাকার সরকারি জায়গা ও নদী দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারি এবং অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

কাউখালীতে বেকুটিয়া সেতুর নিচে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সরকারি জায়গা ও নদী দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের অভিযান

Update Time : ০৪:০৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

 

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতুর নিচে সরকারি জায়গা ও নদীর অংশ দখল করে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কাউখালী প্রান্তে বেকুটিয়া সেতুর নিচে পর্যটন এলাকার সরকারি জায়গা ও নদীর অংশ দখল করে কয়েকজন ব্যক্তি কংক্রিটের ঢালাই ও লোহার অ্যাঙ্গেল ব্যবহার করে রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকান নির্মাণের চেষ্টা করেন। এতে এলাকার পরিবেশ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

 

বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে সংশ্লিষ্ট দখলদারদের আগে থেকেই নোটিশ দিয়ে স্বেচ্ছায় স্থাপনা অপসারণের জন্য সময় দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সরকারি জায়গা ও নদী দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু বর্তমানে একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ সুযোগে একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “অষ্টম চীন মৈত্রী বেকুটিয়া সেতু এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এ এলাকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট। সরকারি জায়গা কিংবা নদী দখল করে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না। কেউ আইন অমান্য করে এমন কর্মকাণ্ডে জড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পর্যটন এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

 

প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তারা পর্যটন এলাকার সরকারি জায়গা ও নদী দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত নজরদারি এবং অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

Spread the love