Dhaka ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা পুকুরে ডুবে একই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি দুই বছরেও কলেজে আসেননি সভাপতি, কাগজে-কলমে চলছে দায়িত্ব পালন! কাউখালীতে চরম নেটওয়ার্ক ভোগান্তি: সরকারি টেলিটক সেবা নিশ্চিত করার দাবি গ্রাহকদের সাতক্ষীরায় প্রবীণ ভিক্ষুককে পুনর্বাসনে ছাগল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরা সদর থানার দেয়ালেই অবৈধ স্থাপনার রাজত্ব! জনদূর্ভোগ চরমে সাতক্ষীরাকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর অবস্থান, নতুন ২৩ আদালতে দ্রুত জনবল নিয়োগের আশ্বাস কলারোয়ায় খাস জমির পজেশন বিক্রির অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে মিলেছে প্রাথমিক সত্যতা সাতক্ষীরার বিচার বিভাগের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা হবে: আইনমন্ত্রী সাতক্ষীরায় ট্রি অব লাইফের উদ্যোগে ৩ হাজার পানিবন্দি ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ

বিশারকান্দির টিকটকার মারজিয়ার বিয়ের দাবিতে নেছারাবাদে, ঘটনায় তদন্তে মিলল নতুন তথ্য, মুখ খুললেন ইমনের বাবা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ২৮৯২ Time View
নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিয়ের দাবিতে এক তরুণীর ইমনের বাড়িতে অবস্থানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে নানা তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগকারী মারজিয়া ও অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল ইমনের পরিবারের বক্তব্যে ঘটনার ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বলদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বয়া গ্রামের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম দাবি করেন, তার ছেলে আব্দুল্লাহ আল ইমনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার ভাষ্য, প্রায় এক বছর আগে তার মেয়ের এক বান্ধবী হিসেবে মারজিয়ার সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। এর আগে তাদের পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না।
তাজুল ইসলামের দাবি, মারজিয়া গণমাধ্যমে তিন বছরের প্রেমের সম্পর্কের কথা বললেও তা বাস্তবতা ভিন্ন। তিনি বলেন, এক বছর আগেও মারজিয়া উমারেরপাড় এলাকার রিয়াজুল নামে এক ব্যক্তির স্ত্রী হিসেবে সংসার করতেন।
এছাড়া ঢাকাতেও তার আরেকটি বিয়ে হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। বিশারকান্দি এলাকায় গেলে মারজিয়ার চাচাতো ভাই পরিচয়ে ব্যাক্তি জানান, তার দুটি বিয়ে সে নিয়মিত টিকটক করে বেড়ায়।
অভিযুক্ত ইমন বলেন, প্রায় এক বছর আগে মারজিয়ার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর মারজিয়া মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগ করে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিতেন এবং ভয়েস মেসেজ পাঠাতেন। তিনি দাবি করেন, মারজিয়া তাদের এলাকায় দেখা করতে এলেও তার সঙ্গে কোনো অবৈধ সম্পর্ক ছিল না। মারজিয়া সব মিথ্যে বলছে।
তাজুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, মারজিয়া ও তার মা পরিকল্পিতভাবে তরুণদের সঙ্গে বিয়ে করে পরে কাবিনের অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন। যেটা ২১/৭/২৫ এর  ডিভোর্স পেপার তা প্রমান করে।  তিনি জানান, তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অন্যদিকে মারজিয়া বলেন, রিয়াজুলের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর ইমনের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইমন তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়েছিলেন বলেই তিনি ইমনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, প্রায় দুই বছর আগে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ডিভোর্সের কাগজে ২১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে বিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার তথ্য দেখা গেছে।
 এ ছাড়া ঢাকায় তার আরেকটি বিয়ে হয়েছিল বলে ইমনের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও এ বিষয়টি মারজিয়া অস্বীকার করে।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদি হাসান বলেন, “ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা পুকুরে ডুবে একই বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিশারকান্দির টিকটকার মারজিয়ার বিয়ের দাবিতে নেছারাবাদে, ঘটনায় তদন্তে মিলল নতুন তথ্য, মুখ খুললেন ইমনের বাবা

Update Time : ০৭:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিয়ের দাবিতে এক তরুণীর ইমনের বাড়িতে অবস্থানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে নানা তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগকারী মারজিয়া ও অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল ইমনের পরিবারের বক্তব্যে ঘটনার ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বলদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বয়া গ্রামের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম দাবি করেন, তার ছেলে আব্দুল্লাহ আল ইমনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার ভাষ্য, প্রায় এক বছর আগে তার মেয়ের এক বান্ধবী হিসেবে মারজিয়ার সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। এর আগে তাদের পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না।
তাজুল ইসলামের দাবি, মারজিয়া গণমাধ্যমে তিন বছরের প্রেমের সম্পর্কের কথা বললেও তা বাস্তবতা ভিন্ন। তিনি বলেন, এক বছর আগেও মারজিয়া উমারেরপাড় এলাকার রিয়াজুল নামে এক ব্যক্তির স্ত্রী হিসেবে সংসার করতেন।
এছাড়া ঢাকাতেও তার আরেকটি বিয়ে হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। বিশারকান্দি এলাকায় গেলে মারজিয়ার চাচাতো ভাই পরিচয়ে ব্যাক্তি জানান, তার দুটি বিয়ে সে নিয়মিত টিকটক করে বেড়ায়।
অভিযুক্ত ইমন বলেন, প্রায় এক বছর আগে মারজিয়ার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর মারজিয়া মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগ করে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিতেন এবং ভয়েস মেসেজ পাঠাতেন। তিনি দাবি করেন, মারজিয়া তাদের এলাকায় দেখা করতে এলেও তার সঙ্গে কোনো অবৈধ সম্পর্ক ছিল না। মারজিয়া সব মিথ্যে বলছে।
তাজুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, মারজিয়া ও তার মা পরিকল্পিতভাবে তরুণদের সঙ্গে বিয়ে করে পরে কাবিনের অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন। যেটা ২১/৭/২৫ এর  ডিভোর্স পেপার তা প্রমান করে।  তিনি জানান, তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অন্যদিকে মারজিয়া বলেন, রিয়াজুলের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর ইমনের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইমন তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়েছিলেন বলেই তিনি ইমনের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, প্রায় দুই বছর আগে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট ডিভোর্সের কাগজে ২১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে বিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার তথ্য দেখা গেছে।
 এ ছাড়া ঢাকায় তার আরেকটি বিয়ে হয়েছিল বলে ইমনের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও এ বিষয়টি মারজিয়া অস্বীকার করে।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদি হাসান বলেন, “ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
Spread the love