
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে জেলা প্রশাসন ও সাতক্ষীরা পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরে সচেতনতামূলক র্যালি, লিফলেট বিতরণ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সকালে শহরের ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ’ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।
র্যালি শেষে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ পৌরসভার সহযোগিতায় রেড ক্রিসেন্ট, বিডি ক্লিন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে শহরের বিভিন্ন ড্রেন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। একই সঙ্গে পথচারী, সাধারণ নাগরিক ও যানবাহন চালকদের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। এডিস মশার বিস্তার রোধে বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগই পারে সাতক্ষীরাকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে।
অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পৌরসভা নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে এই প্রচেষ্টাকে সফল করতে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী ডেঙ্গুর লক্ষণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা তুলে ধরে বলেন, বাসাবাড়ির ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, এসি ও ফ্রিজের ট্রেতে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। পাশাপাশি দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আলী হায়দার, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আক্তার হোসেন তালুকদার, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাগর দেবনাথ, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর রবিউল আলম এবং কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী।
এছাড়া পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের সদস্য, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
Reporter Name 






















