
কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের পশ্চিম ফলোইবুনিয়া গ্রামের বাইতুন নূর জামে মসজিদের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের কালাম হাওলাদারের পরিবার ও রফেজ উদ্দিন চৌকিদারের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব থেকেই শত্রুতা বিরাজমান ছিল। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ইউনিয়ন পরিষদ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার সালিশের উদ্যোগ নিলেও বিরোধের স্থায়ী সমাধান হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকালে কালাম হাওলাদারের ছেলে মিরাজ হাওলাদার, রিয়াজ হাওলাদার ও মহারাজ হাওলাদারের সঙ্গে রফেজ উদ্দিন চৌকিদারের ছেলে মোশাররফ চৌকিদার, শহিদুল চৌকিদার এবং মোশাররফ চৌকিদারের ছেলে শাহীন চৌকিদারের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহৃত হলে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় মিরাজ হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
অন্যদিকে শাহীন চৌকিদার দাবি করেন, “আমরাও হামলার শিকার হয়েছি। আমাদের পরিবারের সদস্যরাও আহত হয়েছে।”
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
Reporter Name 























