Dhaka ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে কাউখালী হাসপাতাল, বাড়ছে উদ্বেগ সাতক্ষীরায় ‘গরীবের মেহমানখানা’ কর্মসূচিতে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ কালিগঞ্জে সেভেন আপের বোতলে রাখা ঘাসমারা ওষুধ পান করে ব্যবসায়ীর মৃত্যু সদর সার্কেল অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা বানারীপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ, ফ্যাক্ট চেকিং ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা রামপালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বানারীপাড়ায় ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ সাতক্ষীরায় প্রাক্তন নিবন্ধিত শিশু ও যুবদের নিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার রসুলপুরে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

লবণসহিষ্ণু ধান চাষে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন সাতক্ষীরার কৃষকরা

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত জমিতে ৭ বছরে পাঁচ গুণ বেড়েছে ধানের আবাদ। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এই জনপদের হাজারো কৃষক। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পাশাপাশি বেড়েছে কর্মসংস্থান। কৃষি বিভাগ বলছে, মোট আবাদি জমির পরিমাণও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে এবার।

২০০৯ সালের ২৫ মে আইলার তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। এরপর লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ধান চাষে বিপাকে পড়েন কৃষক।

ধীরে ধীরে লবণসহিষ্ণু জাতের ধানের চাষ শুরু করেন স্থানীয়রা। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেন উপকূলীয় জনপদের বাসিন্দারা। ২০১৯ সালে মাত্র ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হলেও গত ৭ বছরে তা বেড়েছে ৫ গুণ।

সাতক্ষীরা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার উপকূলীয় এলাকাটিতে মোট জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। মূলত লবণসহিষ্ণু চারটি জাতের ধানের আবাদ ভালো হচ্ছে।’

এ বছর জেলায় ৮২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতের ধান হয়েছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর মোট ধান উৎপাদন লক্ষমাত্রা ৪ লাখ ২০ হাজার টন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে কাউখালী হাসপাতাল, বাড়ছে উদ্বেগ

লবণসহিষ্ণু ধান চাষে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন সাতক্ষীরার কৃষকরা

Update Time : ০৬:৩৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত জমিতে ৭ বছরে পাঁচ গুণ বেড়েছে ধানের আবাদ। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এই জনপদের হাজারো কৃষক। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পাশাপাশি বেড়েছে কর্মসংস্থান। কৃষি বিভাগ বলছে, মোট আবাদি জমির পরিমাণও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে এবার।

২০০৯ সালের ২৫ মে আইলার তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। এরপর লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ধান চাষে বিপাকে পড়েন কৃষক।

ধীরে ধীরে লবণসহিষ্ণু জাতের ধানের চাষ শুরু করেন স্থানীয়রা। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেন উপকূলীয় জনপদের বাসিন্দারা। ২০১৯ সালে মাত্র ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হলেও গত ৭ বছরে তা বেড়েছে ৫ গুণ।

সাতক্ষীরা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার উপকূলীয় এলাকাটিতে মোট জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। মূলত লবণসহিষ্ণু চারটি জাতের ধানের আবাদ ভালো হচ্ছে।’

এ বছর জেলায় ৮২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতের ধান হয়েছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর মোট ধান উৎপাদন লক্ষমাত্রা ৪ লাখ ২০ হাজার টন।

Spread the love