
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;
সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত জমিতে ৭ বছরে পাঁচ গুণ বেড়েছে ধানের আবাদ। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এই জনপদের হাজারো কৃষক। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পাশাপাশি বেড়েছে কর্মসংস্থান। কৃষি বিভাগ বলছে, মোট আবাদি জমির পরিমাণও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে এবার।
২০০৯ সালের ২৫ মে আইলার তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। এরপর লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ধান চাষে বিপাকে পড়েন কৃষক।
ধীরে ধীরে লবণসহিষ্ণু জাতের ধানের চাষ শুরু করেন স্থানীয়রা। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেন উপকূলীয় জনপদের বাসিন্দারা। ২০১৯ সালে মাত্র ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হলেও গত ৭ বছরে তা বেড়েছে ৫ গুণ।
সাতক্ষীরা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার উপকূলীয় এলাকাটিতে মোট জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। মূলত লবণসহিষ্ণু চারটি জাতের ধানের আবাদ ভালো হচ্ছে।’
এ বছর জেলায় ৮২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতের ধান হয়েছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর মোট ধান উৎপাদন লক্ষমাত্রা ৪ লাখ ২০ হাজার টন।
আহসানউল্লাহ মামুন 

























