Dhaka ০৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডাকাতি-চুরি প্রতিরোধে নেছারাবাদে রাতের পাহারা, পুলিশ-জনতার যৌথ উদ্যোগ উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেককে সংবর্ধনা শ্যামনগরে চৌকিদার প্যারেড পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, অপরাধ দমনে তৎপরতার নির্দেশ সাতক্ষীরায় বিজিবির মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠান, উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আর্থ জার্নালিজম নেটওয়ার্কের ফেলোশিপ পাওয়ায় আহসান রাজীবকে সাংবাদিক কেন্দ্রের অভিনন্দন কাউখালীতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু কাউখালীতে জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৮ সাতক্ষীরায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির মতবিনিময়

লবণসহিষ্ণু ধান চাষে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন সাতক্ষীরার কৃষকরা

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত জমিতে ৭ বছরে পাঁচ গুণ বেড়েছে ধানের আবাদ। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এই জনপদের হাজারো কৃষক। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পাশাপাশি বেড়েছে কর্মসংস্থান। কৃষি বিভাগ বলছে, মোট আবাদি জমির পরিমাণও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে এবার।

২০০৯ সালের ২৫ মে আইলার তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। এরপর লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ধান চাষে বিপাকে পড়েন কৃষক।

ধীরে ধীরে লবণসহিষ্ণু জাতের ধানের চাষ শুরু করেন স্থানীয়রা। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেন উপকূলীয় জনপদের বাসিন্দারা। ২০১৯ সালে মাত্র ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হলেও গত ৭ বছরে তা বেড়েছে ৫ গুণ।

সাতক্ষীরা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার উপকূলীয় এলাকাটিতে মোট জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। মূলত লবণসহিষ্ণু চারটি জাতের ধানের আবাদ ভালো হচ্ছে।’

এ বছর জেলায় ৮২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতের ধান হয়েছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর মোট ধান উৎপাদন লক্ষমাত্রা ৪ লাখ ২০ হাজার টন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাকাতি-চুরি প্রতিরোধে নেছারাবাদে রাতের পাহারা, পুলিশ-জনতার যৌথ উদ্যোগ

লবণসহিষ্ণু ধান চাষে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন সাতক্ষীরার কৃষকরা

Update Time : ০৬:৩৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত জমিতে ৭ বছরে পাঁচ গুণ বেড়েছে ধানের আবাদ। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এই জনপদের হাজারো কৃষক। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পাশাপাশি বেড়েছে কর্মসংস্থান। কৃষি বিভাগ বলছে, মোট আবাদি জমির পরিমাণও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে এবার।

২০০৯ সালের ২৫ মে আইলার তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। এরপর লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ধান চাষে বিপাকে পড়েন কৃষক।

ধীরে ধীরে লবণসহিষ্ণু জাতের ধানের চাষ শুরু করেন স্থানীয়রা। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেন উপকূলীয় জনপদের বাসিন্দারা। ২০১৯ সালে মাত্র ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হলেও গত ৭ বছরে তা বেড়েছে ৫ গুণ।

সাতক্ষীরা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার উপকূলীয় এলাকাটিতে মোট জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। মূলত লবণসহিষ্ণু চারটি জাতের ধানের আবাদ ভালো হচ্ছে।’

এ বছর জেলায় ৮২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতের ধান হয়েছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর মোট ধান উৎপাদন লক্ষমাত্রা ৪ লাখ ২০ হাজার টন।

Spread the love