কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এ বছর উপজেলার ২৫টি পূজামণ্ডপে উদযাপিত হতে যাচ্ছে দুর্গোৎসব। পূজাকে ঘিরে মণ্ডপগুলোতে প্রতিমা নির্মাণ, রঙের কাজ, সাজসজ্জা ও অন্যান্য প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।
মণ্ডপগুলোতে প্রতিমায় রঙ-তুলির শেষ আঁচড় দেওয়ার পাশাপাশি চলছে সাজসজ্জার কাজ। ঢাকের বাদ্য, কাঁসার শব্দ আর উলুধ্বনিতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরির অপেক্ষায় রয়েছেন আয়োজক ও ভক্তরা।
পূজামণ্ডপগুলোর প্রস্তুতি ও আয়োজনের সুবিধার্থে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ তহবিল থেকে প্রতিটি মণ্ডপের জন্য ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পূজার শুরু থেকে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ। প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ ও আনসার সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে নেওয়া হবে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং জোরদার নজরদারি।
কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে থাকবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে, যাতে নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করা যায়।
কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবীর এবং সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দীন মোহাম্মদ জানান, বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবারও উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ সার্বিক সহযোগিতা করবেন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
কাউখালী উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক দুলাল শীল ধলু, সদস্যসচিব পল্লব সিকদার এবং মদনমোহন জিউর আখড়াবাড়ির সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার বাদল হালদার জানান, আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দেবী বোধন ও শারদীয় দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এ বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব।
Reporter Name 






















