Dhaka ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল স্কুলে আইসিটি অলিম্পিয়াডের ফাইনাল অনুষ্ঠিত নেছারাবাদে ১৫ আগস্ট ঘিরে মশাল মিছিলের অভিযোগে ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা সাতক্ষীরা শহরে প্রতি ৪ জনে একজন জলবায়ু উদ্বাস্তু, সুরক্ষায় ৮ দফা দাবি আশাশুনির দুই ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ভারতীয় কাঁচামরিচে সয়লাব ভোমরা বন্দর, কমেছে দাম কাউখালীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান সন্তোষজনক নয় এসএসসি-দাখিল-ভোকেশনালের ফল, ভালো ফলের লক্ষ্যে কাউখালীতে পর্যালোচনা সভা কাউখালীতে নৌ পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা, ছুরিকাঘাতে কনস্টেবল গুরুতর আহত সাপাহারে গাছ লাগিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নেছারাবাদে পৈতৃক জমি দখলের অভিযোগ, চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে মামলা

কাউখালীতে সরকারি তহবিলের ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি ;

 

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থের সঠিক ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান। একটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করার পর, বরাদ্দের উদ্বৃত্ত ও অব্যবহৃত ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন তিনি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্য নিয়ে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের দাসেরকাঠি দরগাবাড়ি খালের মেজার আলী শেখের বাড়ি থেকে মোদাচ্ছের মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার খাল সফলভাবে পুনঃখনন করা হয়। নির্ধারিত কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার পরও বাজেটের বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে, যা পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

প্রকল্পের অর্থ ফেরতের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে কাউখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মফিজুর রহমান জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা যথাযথভাবে ব্যয় করার পর এভাবে অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চমৎকার একটি উদাহরণ।

খাল পুনঃখননের ফলে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং হাজার হাজার একর ফসলি জমিতে পানি সেচ ও নিষ্কাশন সুবিধা সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।

 

প্রকল্পের অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়া এবং কাজের মান নিশ্চিত করার বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, সরকারি প্রতিটি টাকা জনগণের আমানত। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে খালটি সঠিকভাবে পুনঃখনন করা, যাতে কৃষকরা এর সুফল পান। নির্ধারিত কাজ শতভাগ নিখুঁতভাবে শেষ করার পর যখন দেখা গেল বরাদ্দের কিছু টাকা অব্যবহৃত রয়ে গেছে, তখন আমরা দেরি না করে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত জমা দিয়েছি। উন্নয়ন কাজে স্বচ্ছতা, সততা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা আমাদের প্রশাসনিক দায়িত্ব। আশা করি, খালটি পুনঃখননের ফলে এলাকার কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল স্কুলে আইসিটি অলিম্পিয়াডের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কাউখালীতে সরকারি তহবিলের ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও

Update Time : ০৬:০৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি ;

 

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থের সঠিক ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান। একটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করার পর, বরাদ্দের উদ্বৃত্ত ও অব্যবহৃত ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন তিনি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্য নিয়ে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের দাসেরকাঠি দরগাবাড়ি খালের মেজার আলী শেখের বাড়ি থেকে মোদাচ্ছের মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার খাল সফলভাবে পুনঃখনন করা হয়। নির্ধারিত কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার পরও বাজেটের বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে, যা পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

প্রকল্পের অর্থ ফেরতের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে কাউখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মফিজুর রহমান জানান, উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা যথাযথভাবে ব্যয় করার পর এভাবে অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চমৎকার একটি উদাহরণ।

খাল পুনঃখননের ফলে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং হাজার হাজার একর ফসলি জমিতে পানি সেচ ও নিষ্কাশন সুবিধা সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।

 

প্রকল্পের অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়া এবং কাজের মান নিশ্চিত করার বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, সরকারি প্রতিটি টাকা জনগণের আমানত। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে খালটি সঠিকভাবে পুনঃখনন করা, যাতে কৃষকরা এর সুফল পান। নির্ধারিত কাজ শতভাগ নিখুঁতভাবে শেষ করার পর যখন দেখা গেল বরাদ্দের কিছু টাকা অব্যবহৃত রয়ে গেছে, তখন আমরা দেরি না করে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত জমা দিয়েছি। উন্নয়ন কাজে স্বচ্ছতা, সততা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা আমাদের প্রশাসনিক দায়িত্ব। আশা করি, খালটি পুনঃখননের ফলে এলাকার কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

Spread the love