Dhaka ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাউখালীতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১৫৮ আনসার সদস্য, ২৮ পয়েন্টে ব্রিফিং সাতক্ষীরায় নিরাপদ সড়কের বার্তা নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিআরটিএর প্রচারাভিযান সাতক্ষীরায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের ব্রিফিং প্যারেড কাউখালীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শুরু হলো শারদীয় দুর্গোৎসব যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে নেছারাবাদে সন্ধ্যা ৬টা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ নেছারাবাদে বিধবা নারীকে টাকা দিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব কাউখালীতে মাঝরাতে কঁচা নদীতে ট্রলার বিকল, ৫০-৬০ ইজতেমাযাত্রীকে উদ্ধার করল নৌ পুলিশ বানারীপাড়ার ওসির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, দাবি পুলিশের   সাতক্ষীরায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, বিতর্কিত তালিকা বাতিলের দাবি সাতক্ষীরায় পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার্থীদের খতিয়ান বই পর্যালোচনা ও প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে ৯৬ কোটি টাকার বোরো চাল সংগ্রহ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ Time View

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

চলতি ২০২৬ বোরো মৌসুমে সাতক্ষীরায় সরকারিভাবে ১৯ হাজার ৬৪৯ দশমিক ৫৫০ টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতি কেজি ৪৯ টাকা দরে ক্রয় করা এই চালের মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে ৯৬ কোটি ২৮ লাখ ২৭ হাজার ৯৫০ টাকা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জানা যায়, চলতি ২০২৬ বোরো মৌসুমে জেলাটির সাতটি উপজেলার জন্য ১৯ হাজার ৬৪৯ দশমিক ৫৫০ টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১০ হাজার ১৫৬ দশমিক ৭০ টন, কলারোয়ায় ১ হাজার ২১৪ টন, দেবহাটায় ১ হাজার ২৭৩ টন, কালিগঞ্জে ৬৭৫ টন, শ্যামনগরে ১৪২ টন, আশাশুনিতে ১৭৫ দশমিক ৯৮০ টন এবং তালা উপজেলায় ৬ হাজার ১৩ দশমিক ৫৬০ টন। প্রতি কেজি মোটা জাতের বোরো চালের সরকারি সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৪৯ টাকা। জেলা খাদ্য কার্যালয়ের সূত্র জানায়, গত ১৫ মে শুরু হওয়া এই সংগ্রহ অভিযান ১৫ অক্টোবর শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে শেষ হয়। গত বোরো মৌসুমে জেলায় ১১ হাজার ৯৫৩ টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছিল, যার মোট মূল্য ছিল ৫৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। সেই হিসাবে এবার চাল সংগ্রহ বেড়েছে ৭ হাজার ৬৯৬ দশমিক ৫৫ টন।

সাতক্ষীরা জেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ওমর ফারুক জানান, সরকারি নির্দেশনা মেনে জেলার সাতটি উপজেলার ২৪৭টি নিবন্ধিত মিলমালিকের কাছ থেকে স্বচ্ছতা বজায় রেখে চাল কেনা হয়েছে। এ সময় চালের গুণগত মান ও পুষ্টি সঠিকভাবে যাচাই করা হয়। এ ছাড়া সরকারি গুদামে যাতে কেউ নিম্মমানের চাল সরবরাহ করতে না পারে, সে জন্য গোডাউন কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া ছিল।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউখালীতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১৫৮ আনসার সদস্য, ২৮ পয়েন্টে ব্রিফিং

সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে ৯৬ কোটি টাকার বোরো চাল সংগ্রহ

Update Time : ০২:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

চলতি ২০২৬ বোরো মৌসুমে সাতক্ষীরায় সরকারিভাবে ১৯ হাজার ৬৪৯ দশমিক ৫৫০ টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতি কেজি ৪৯ টাকা দরে ক্রয় করা এই চালের মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে ৯৬ কোটি ২৮ লাখ ২৭ হাজার ৯৫০ টাকা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে জানা যায়, চলতি ২০২৬ বোরো মৌসুমে জেলাটির সাতটি উপজেলার জন্য ১৯ হাজার ৬৪৯ দশমিক ৫৫০ টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১০ হাজার ১৫৬ দশমিক ৭০ টন, কলারোয়ায় ১ হাজার ২১৪ টন, দেবহাটায় ১ হাজার ২৭৩ টন, কালিগঞ্জে ৬৭৫ টন, শ্যামনগরে ১৪২ টন, আশাশুনিতে ১৭৫ দশমিক ৯৮০ টন এবং তালা উপজেলায় ৬ হাজার ১৩ দশমিক ৫৬০ টন। প্রতি কেজি মোটা জাতের বোরো চালের সরকারি সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৪৯ টাকা। জেলা খাদ্য কার্যালয়ের সূত্র জানায়, গত ১৫ মে শুরু হওয়া এই সংগ্রহ অভিযান ১৫ অক্টোবর শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে শেষ হয়। গত বোরো মৌসুমে জেলায় ১১ হাজার ৯৫৩ টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছিল, যার মোট মূল্য ছিল ৫৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। সেই হিসাবে এবার চাল সংগ্রহ বেড়েছে ৭ হাজার ৬৯৬ দশমিক ৫৫ টন।

সাতক্ষীরা জেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ওমর ফারুক জানান, সরকারি নির্দেশনা মেনে জেলার সাতটি উপজেলার ২৪৭টি নিবন্ধিত মিলমালিকের কাছ থেকে স্বচ্ছতা বজায় রেখে চাল কেনা হয়েছে। এ সময় চালের গুণগত মান ও পুষ্টি সঠিকভাবে যাচাই করা হয়। এ ছাড়া সরকারি গুদামে যাতে কেউ নিম্মমানের চাল সরবরাহ করতে না পারে, সে জন্য গোডাউন কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া ছিল।

Spread the love