Dhaka ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাউখালীতে সাড়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস ‘সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক’: প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সাতক্ষীরার দেবহাটায় শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আমিনী গ্রেপ্তার সাতক্ষীরায় ১৯০ নবনিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষকের হাতে পদায়নপত্র তুলে দিলেন জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরার পৌরদীঘিতে লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই রাতের নৌভ্রমণ, দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে দর্শনার্থীরা সাতক্ষীরায় হত্যা, শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন সাতক্ষীরা জেলা ডাম্পার ট্রাক মালিক সমিতির প্রস্তাবিত কমিটি ঘোষণা, উপদেষ্টা রউফ, সভাপতি সান্টু, সম্পাদক রনজু ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে: এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সাতক্ষীরায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৬৪ হিন্দু পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলেন সাবেক কাউন্সিলর সাগর কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীতে অভিযান, সাড়ে ৮ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে ধ্বংস

কাউখালীতে সাড়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ Time View

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সন্ধ্যা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। পরে জব্দ করা এসব জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ১৮ হাজার টাকা।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে সন্ধ্যা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে সহযোগিতা করে নৌ পুলিশ। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “মা ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। কিন্তু কিছু অসাধু ও অসচেতন ব্যক্তি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে অবৈধ জাল ফেলে ইলিশ শিকারের চেষ্টা করছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, অভিযানে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় প্রজনন মৌসুমজুড়ে নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, মা ইলিশ সংরক্ষণ এবং ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউখালীতে সাড়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

কাউখালীতে সাড়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

Update Time : ০৩:৩১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সন্ধ্যা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। পরে জব্দ করা এসব জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ১৮ হাজার টাকা।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে সন্ধ্যা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে সহযোগিতা করে নৌ পুলিশ। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “মা ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। কিন্তু কিছু অসাধু ও অসচেতন ব্যক্তি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে অবৈধ জাল ফেলে ইলিশ শিকারের চেষ্টা করছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, অভিযানে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় প্রজনন মৌসুমজুড়ে নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, মা ইলিশ সংরক্ষণ এবং ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

Spread the love