Dhaka ১১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাপাহারের কৃতি সন্তান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এখন দুদক চেয়ারম্যান ছাত্রদলের আন্দোলনের মুখে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটামের আগেই সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি প্রত্যাহার দেবহাটায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের প্রকাশ্য কার্যক্রমের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল সাতক্ষীরায় পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টিতে সাইকেল র‍্যালি হবিগঞ্জে বিক্ষোভ থেকে বৈছাআ নেতা মাহাদী আটক হেফাজতের বক্তব্যের প্রতিবাদে বরিশালে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন গ্যাস সংকট ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ লোডশেডিং নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান এনপিপির ভাণ্ডারিয়ায় মাদ্রাসার ফলা ফল বিপর্যয়: শিক্ষকদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় সাপাহারে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে প্রস্তুতি সভা সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ, মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত:

ছাত্রদলের আন্দোলনের মুখে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটামের আগেই সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:২৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ Time View

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আন্দোলনের মুখে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান পিপিএমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার আগেই প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয়।

 

গত ১৬ আগস্ট জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ওসি প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যেই সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের খবর আসে।

 

সম্প্রতি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে সামাজিক আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের হামলায় গুরুতর আহত হন জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মঞ্জুরুল আলম বাপ্পি। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওই হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার না করা এবং ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা করতে গেলেও অভিযোগ গ্রহণ না করার অভিযোগ ওঠে সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রদল নেতা মঞ্জুরুল আলম বাপ্পি অভিযোগ করে বলেন, সদর থানার ওসি মো. মাসুদুর রহমান শেখ হাসিনার আমলে ‘পিপিএম’ পদক পেয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ৫ আগস্টের পরও ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন পক্ষের কর্মসূচির বিষয়ে ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ওসির নিষ্ক্রিয়তা ও মদদের কারণে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনার সুযোগ পেয়েছেন।

 

বাপ্পি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করতে থানায় গেলেও পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি এবং হামলায় জড়িতদের সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, “মাদকমুক্ত ও শান্ত সাতক্ষীরা গড়ে তোলাই ছিল আমাদের অপরাধ। আজ হাসপাতালের বেডে ব্যথাতুর অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকলেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের এই সংগ্রাম থামবে না।”

দ্রুত সুস্থতার জন্য সাতক্ষীরাবাসীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন তিনি।

এদিকে ওসি প্রত্যাহারের বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাপাহারের কৃতি সন্তান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এখন দুদক চেয়ারম্যান

ছাত্রদলের আন্দোলনের মুখে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটামের আগেই সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি প্রত্যাহার

Update Time : ০৬:২৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আন্দোলনের মুখে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান পিপিএমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার আগেই প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয়।

 

গত ১৬ আগস্ট জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ওসি প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যেই সদর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের খবর আসে।

 

সম্প্রতি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে সামাজিক আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের হামলায় গুরুতর আহত হন জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মঞ্জুরুল আলম বাপ্পি। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওই হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার না করা এবং ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা করতে গেলেও অভিযোগ গ্রহণ না করার অভিযোগ ওঠে সদর থানার ওসির বিরুদ্ধে।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রদল নেতা মঞ্জুরুল আলম বাপ্পি অভিযোগ করে বলেন, সদর থানার ওসি মো. মাসুদুর রহমান শেখ হাসিনার আমলে ‘পিপিএম’ পদক পেয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ৫ আগস্টের পরও ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন পক্ষের কর্মসূচির বিষয়ে ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ওসির নিষ্ক্রিয়তা ও মদদের কারণে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনার সুযোগ পেয়েছেন।

 

বাপ্পি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করতে থানায় গেলেও পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি এবং হামলায় জড়িতদের সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, “মাদকমুক্ত ও শান্ত সাতক্ষীরা গড়ে তোলাই ছিল আমাদের অপরাধ। আজ হাসপাতালের বেডে ব্যথাতুর অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকলেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের এই সংগ্রাম থামবে না।”

দ্রুত সুস্থতার জন্য সাতক্ষীরাবাসীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন তিনি।

এদিকে ওসি প্রত্যাহারের বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Spread the love