Dhaka ০৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাণ্ডারিয়ায় মাদ্রাসার ফলা ফল বিপর্যয়: শিক্ষকদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় সাপাহারে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে প্রস্তুতি সভা সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ, মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত: নাগেশ্বরীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ, মামলা দায়ের। ভাণ্ডারিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ, সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ নেছারাবাদে গাঁজা সেবনের দায়ে দুজনের কারাদণ্ড সাতক্ষীরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা তালায় নানান আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন কাউখালীতে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের দাবিতে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন কাউখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ পছন্দের লোক দিয়ে কমিটি, বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ অভিভাবকরা

ভাণ্ডারিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ, সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, প্রশাসনিক দুর্নীতি এবং শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান সরেজমিনে বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) একাধিক সহকারী শিক্ষকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএনও বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ব্যাংক হিসাব, ভাউচার ও বিভিন্ন রেজুলেশন পর্যালোচনা করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, যৌথ স্বাক্ষরের বিধান থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক এককভাবে ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করেছেন এবং যথাযথ ভাউচার ছাড়াই অর্থ উত্তোলন করেছেন।

 

শিক্ষকদের অভিযোগ অনুযায়ী, স্বাক্ষর প্রদান না করলে হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বেতন বন্ধের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতো। নারী শিক্ষক সেলিনা আক্তারের প্রতি অশোভন আচরণ এবং তার বেতন স্থগিত রাখার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া কয়েকজন শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে তা পরবর্তীতে ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে বাধ্য করা, ফরম পূরণ ও ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) প্রদানের নামে অর্থ আদায়, প্যারা-টিচার নিয়োগে অনিয়ম এবং বিভিন্ন খাতে শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি টিউশন ফি ব্যাংকে জমা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষণের অভিযোগও রয়েছে।

 

ইউএনও মো. হাসিবুল হাসান জানান, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাণ্ডারিয়ায় মাদ্রাসার ফলা ফল বিপর্যয়: শিক্ষকদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময়

ভাণ্ডারিয়ায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ, সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

Update Time : ১২:২০:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, প্রশাসনিক দুর্নীতি এবং শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান সরেজমিনে বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) একাধিক সহকারী শিক্ষকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএনও বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ব্যাংক হিসাব, ভাউচার ও বিভিন্ন রেজুলেশন পর্যালোচনা করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, যৌথ স্বাক্ষরের বিধান থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক এককভাবে ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করেছেন এবং যথাযথ ভাউচার ছাড়াই অর্থ উত্তোলন করেছেন।

 

শিক্ষকদের অভিযোগ অনুযায়ী, স্বাক্ষর প্রদান না করলে হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বেতন বন্ধের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতো। নারী শিক্ষক সেলিনা আক্তারের প্রতি অশোভন আচরণ এবং তার বেতন স্থগিত রাখার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া কয়েকজন শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে তা পরবর্তীতে ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে বাধ্য করা, ফরম পূরণ ও ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) প্রদানের নামে অর্থ আদায়, প্যারা-টিচার নিয়োগে অনিয়ম এবং বিভিন্ন খাতে শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি টিউশন ফি ব্যাংকে জমা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষণের অভিযোগও রয়েছে।

 

ইউএনও মো. হাসিবুল হাসান জানান, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Spread the love