Dhaka ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাউখালীতে নানা কর্মসূচিতে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন বাকেরগঞ্জে মাসব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা শুরু, স্বপরিবারে আসার আহ্বান নিউ লাইফ মেডিকেল সার্ভিসের সাপাহার বিএনপিতে নতুন সমীকরণ, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে স্বপদে ফিরলেন আব্দুল্লাহ আনছারী তালায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অভিযানে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ, কনেকে নিয়ে পালালেন বর! তালায় খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে বাড়িতে চুরি, ১৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৪ লাখ টাকা লুট কলারোয়ায় ইউপি সদস্য প্রার্থী বাছাইয়ে বিএনপির ৫ সদস্যের কমিটি গঠন নেছারাবাদে জামায়াত নেতার উপর হামলা প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের: গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর কাউখালীতে শহীদ জিয়া স্মৃতি মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা-কলারোয়া সীমান্তে প্রায় ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

লবণসহিষ্ণু ধান চাষে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন সাতক্ষীরার কৃষকরা

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত জমিতে ৭ বছরে পাঁচ গুণ বেড়েছে ধানের আবাদ। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এই জনপদের হাজারো কৃষক। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পাশাপাশি বেড়েছে কর্মসংস্থান। কৃষি বিভাগ বলছে, মোট আবাদি জমির পরিমাণও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে এবার।

২০০৯ সালের ২৫ মে আইলার তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। এরপর লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ধান চাষে বিপাকে পড়েন কৃষক।

ধীরে ধীরে লবণসহিষ্ণু জাতের ধানের চাষ শুরু করেন স্থানীয়রা। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেন উপকূলীয় জনপদের বাসিন্দারা। ২০১৯ সালে মাত্র ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হলেও গত ৭ বছরে তা বেড়েছে ৫ গুণ।

সাতক্ষীরা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার উপকূলীয় এলাকাটিতে মোট জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। মূলত লবণসহিষ্ণু চারটি জাতের ধানের আবাদ ভালো হচ্ছে।’

এ বছর জেলায় ৮২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতের ধান হয়েছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর মোট ধান উৎপাদন লক্ষমাত্রা ৪ লাখ ২০ হাজার টন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউখালীতে নানা কর্মসূচিতে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

লবণসহিষ্ণু ধান চাষে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন সাতক্ষীরার কৃষকরা

Update Time : ০৬:৩৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত জমিতে ৭ বছরে পাঁচ গুণ বেড়েছে ধানের আবাদ। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এই জনপদের হাজারো কৃষক। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পাশাপাশি বেড়েছে কর্মসংস্থান। কৃষি বিভাগ বলছে, মোট আবাদি জমির পরিমাণও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে এবার।

২০০৯ সালের ২৫ মে আইলার তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা। এরপর লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় তিন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ধান চাষে বিপাকে পড়েন কৃষক।

ধীরে ধীরে লবণসহিষ্ণু জাতের ধানের চাষ শুরু করেন স্থানীয়রা। এর মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেন উপকূলীয় জনপদের বাসিন্দারা। ২০১৯ সালে মাত্র ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হলেও গত ৭ বছরে তা বেড়েছে ৫ গুণ।

সাতক্ষীরা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার উপকূলীয় এলাকাটিতে মোট জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। মূলত লবণসহিষ্ণু চারটি জাতের ধানের আবাদ ভালো হচ্ছে।’

এ বছর জেলায় ৮২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতের ধান হয়েছে ২০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর মোট ধান উৎপাদন লক্ষমাত্রা ৪ লাখ ২০ হাজার টন।

Spread the love