Dhaka ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ২৪ ঘণ্টায় ৭ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসাধীন ৪৪ সাতক্ষীরায় গৃহবধূ চন্দনা গুম মামলার প্রধান আসামি ভেন্ডার রবি আটক সাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজ, থানায় জিডি তালায় সমতা ফোরাম সিএসও হাবের ত্রৈমাসিক সভা জান্নাতের টিকিট শুধুমাত্র আল্লাহ দিতে পারেন, আর কেউ নয়: রহমাতুল্লাহ পলাশ সাতক্ষীরায় জনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু কাউখালীতে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন শ্রীকৃষ্ণের বাণীর উপলব্ধির মধ্যেই জন্মাষ্টমী পালনের সার্থকতা নিহিত: জহির উদ্দিন স্বপন বাকেরগঞ্জে প্রশাসনের উদ্যোগে পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন করতে বিডি ক্লিনের বিশেষ অভিযান সাতক্ষীরায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন

সাতক্ষীরায় শিশু ধ”র্ষ”ণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

 

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মোঃ ইব্রাহিম গাজী ওরফে ইব্রা (৫০) নামের এ ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু বকর সিদ্দিক জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত ইব্রাহিম গাজী কলারোয়া উপজেলার পারিখুপি গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ ২০২৫ তারিখ বিকেলে কুশোডাঙ্গা গ্রামের ওই শিশুটি ইফতারের বাসন ধুয়ে বাড়ি ফিরছিল। পথে ইব্রাহিম গাজী তাকে বিস্কুট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে ঘরের দরজা বন্ধ করে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। শিশুটির আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং ইব্রাহিমকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
এই ঘটনায় শিশুটির নানি বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ সেকেন্দার আলী তদন্ত শেষে ১৯ জুলাই ২০২৫ তারিখে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি আদালত আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩)-এর ৯(১) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।

মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় প্রদান করেন। উল্লেখ্য ২০২৫ সালে সরকার কর্তৃক গঠিত ‘বিশেষ শিশু ধর্ষণ ট্রাইব্যুনাল’-এর অধীনে এটিই সাতক্ষীরায় প্রথম কোনো মামলার রায়, যা অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন হলো।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) শেখ আলমগীর আশরাফ বলেন, “দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই বিচার সম্পন্ন হওয়া বিচারপ্রার্থীবদের জন্য একটি মাইলফলক। আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।”

অন্যদিকে আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এমডি সাইফুল্লাহ ও অ্যাডভোকেট খাইরুল বদিউজ্জামান। রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্ত আসামি ইব্রাহিম গাজী আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং তাকে কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। মামলার ঘটনার দিন থেকেই তিনি জেলহা

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় ২৪ ঘণ্টায় ৭ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসাধীন ৪৪

সাতক্ষীরায় শিশু ধ”র্ষ”ণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

Update Time : ০৫:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

 

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মোঃ ইব্রাহিম গাজী ওরফে ইব্রা (৫০) নামের এ ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু বকর সিদ্দিক জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত ইব্রাহিম গাজী কলারোয়া উপজেলার পারিখুপি গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ ২০২৫ তারিখ বিকেলে কুশোডাঙ্গা গ্রামের ওই শিশুটি ইফতারের বাসন ধুয়ে বাড়ি ফিরছিল। পথে ইব্রাহিম গাজী তাকে বিস্কুট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে ঘরের দরজা বন্ধ করে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। শিশুটির আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং ইব্রাহিমকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
এই ঘটনায় শিশুটির নানি বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ সেকেন্দার আলী তদন্ত শেষে ১৯ জুলাই ২০২৫ তারিখে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি আদালত আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩)-এর ৯(১) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।

মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় প্রদান করেন। উল্লেখ্য ২০২৫ সালে সরকার কর্তৃক গঠিত ‘বিশেষ শিশু ধর্ষণ ট্রাইব্যুনাল’-এর অধীনে এটিই সাতক্ষীরায় প্রথম কোনো মামলার রায়, যা অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন হলো।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) শেখ আলমগীর আশরাফ বলেন, “দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই বিচার সম্পন্ন হওয়া বিচারপ্রার্থীবদের জন্য একটি মাইলফলক। আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।”

অন্যদিকে আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এমডি সাইফুল্লাহ ও অ্যাডভোকেট খাইরুল বদিউজ্জামান। রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্ত আসামি ইব্রাহিম গাজী আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং তাকে কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। মামলার ঘটনার দিন থেকেই তিনি জেলহা

Spread the love