Dhaka ০১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পিরোজপুরকে মাদকমুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান, নেছারাবাদ ও কাউখালীতে মতবিনিময় সভা  তালায় দুই বাল্যবিবাহ বন্ধ, কনের বাবাকে জরিমানা সাতক্ষীরা ‘ল’ কলেজে প্রবেশপত্রের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবির অভিযোগ, রসিদ ছাড়াই আদায়ের দাবি রামপালে ‘নিরাপদ অনলাইন, সুরক্ষিত শৈশব’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতার কেয়ারটেকারকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি কাউখালীতে বাল্যবিবাহ ও মাদক প্রতিরোধে সমাবেশ, চার কিশোরী পেলেন লক্ষাধিক টাকার চেক কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় মলদ্বারে স্বর্ণের পেস্ট, ভারতীয় নাগরিক আটক পাটকেলঘাটা থানা ভবনের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ বাকেরগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি, সভাপতি রিমন সম্পাদক মোর্শেদ

পিরোজপুরে ১০ গ্রামে আগাম ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬৯ Time View

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

 

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পিরোজপুর জেলার তিন উপজেলার ১০টি গ্রামের ৮ শতাধিক পরিবার আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন করেছেন।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে ঈদের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে এসব এলাকায় ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। অন্যান্য অঞ্চলে ঈদ পালনের একদিন আগেই তারা ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে ঈদ উদ্‌যাপন করেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও জেলার কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকার মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদ, মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের হাজি ওয়াহেদ আলী হাওলাদার বাড়ি, নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমি মসজিদ এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের খন্দকার বাড়িতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া, খেতাছিড়া ও চকরগাছিয়া—এই ৬ গ্রামে প্রায় ৭ শতাধিক পরিবার, কাউখালী উপজেলার বেতকা, শিয়ালকাঠী ও পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের ৭৫ থেকে ৮০টি পরিবার, নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামের ৩৫টি পরিবার এবং পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের কদমতলা ও একপাই জুজখোলা গ্রামের প্রায় ৬০টি পরিবার আগাম ঈদ উদ্‌যাপন করেছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, এটি তাদের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের অংশ। প্রতিবছরই তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা ও ঈদ পালন করে থাকেন, যা এলাকায় ভিন্নধর্মী এক ধর্মীয় চর্চার নজির হিসেবে দেখছেন তারা।

জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার শুরেশ্বর গ্রামের হজরত মাওলানা আহমেদ আলী শুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা প্রায় ১৫০ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। তাদের অনুসারীরাই পিরোজপুরের এসব গ্রামে আগাম ঈদ উদ্‌যাপন করে থাকেন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পিরোজপুরকে মাদকমুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান, নেছারাবাদ ও কাউখালীতে মতবিনিময় সভা 

পিরোজপুরে ১০ গ্রামে আগাম ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন

Update Time : ০৫:৩৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

 

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পিরোজপুর জেলার তিন উপজেলার ১০টি গ্রামের ৮ শতাধিক পরিবার আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন করেছেন।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে ঈদের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে এসব এলাকায় ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। অন্যান্য অঞ্চলে ঈদ পালনের একদিন আগেই তারা ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করে ঈদ উদ্‌যাপন করেন।

প্রতিবছরের মতো এবারও জেলার কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকার মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদ, মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের হাজি ওয়াহেদ আলী হাওলাদার বাড়ি, নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের আল-আমি মসজিদ এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের খন্দকার বাড়িতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, সাপলেজা, ঝাটিবুনিয়া, খেতাছিড়া ও চকরগাছিয়া—এই ৬ গ্রামে প্রায় ৭ শতাধিক পরিবার, কাউখালী উপজেলার বেতকা, শিয়ালকাঠী ও পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের ৭৫ থেকে ৮০টি পরিবার, নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামের ৩৫টি পরিবার এবং পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের কদমতলা ও একপাই জুজখোলা গ্রামের প্রায় ৬০টি পরিবার আগাম ঈদ উদ্‌যাপন করেছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, এটি তাদের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের অংশ। প্রতিবছরই তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা ও ঈদ পালন করে থাকেন, যা এলাকায় ভিন্নধর্মী এক ধর্মীয় চর্চার নজির হিসেবে দেখছেন তারা।

জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার শুরেশ্বর গ্রামের হজরত মাওলানা আহমেদ আলী শুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা প্রায় ১৫০ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। তাদের অনুসারীরাই পিরোজপুরের এসব গ্রামে আগাম ঈদ উদ্‌যাপন করে থাকেন।

Spread the love