Dhaka ০৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তোলা ছবি প্রোফাইলে ব্যবহার না করার অনুরোধ, নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ বার্তা ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পিরোজপুরকে মাদকমুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান, নেছারাবাদ ও কাউখালীতে মতবিনিময় সভা  তালায় দুই বাল্যবিবাহ বন্ধ, কনের বাবাকে জরিমানা সাতক্ষীরা ‘ল’ কলেজে প্রবেশপত্রের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবির অভিযোগ, রসিদ ছাড়াই আদায়ের দাবি রামপালে ‘নিরাপদ অনলাইন, সুরক্ষিত শৈশব’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতার কেয়ারটেকারকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি কাউখালীতে বাল্যবিবাহ ও মাদক প্রতিরোধে সমাবেশ, চার কিশোরী পেলেন লক্ষাধিক টাকার চেক কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় মলদ্বারে স্বর্ণের পেস্ট, ভারতীয় নাগরিক আটক

চার পদ শূন্য, এক কর্মকর্তার ওপর নির্ভরশীল কাউখালী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৫:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ Time View

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি :


পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসে অনুমোদিত পাঁচটি পদের মধ্যে চারটিই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় চরম জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে দাপ্তরিক কার্যক্রম। ফলে প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা গেছে, অফিসের উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা, জুনিয়র পরিসংখ্যান অফিসার, চেইনম্যানসহ মোট চারটি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। মাত্র একজন পরিসংখ্যান তদন্তকারী মো. আসাদুজ্জামান পুরো অফিসের দায়িত্ব পালন করছেন। কর্মকর্তা, দাপ্তরিক কর্মচারী থেকে শুরু করে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজও একাই সামলাতে হচ্ছে তাঁকে।

জনবল সংকটের কারণে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা সরকারি কাজে বাইরে যেতে হলে অফিসে তালা ঝুলিয়ে যেতে বাধ্য হন তিনি। এতে সেবা নিতে আসা মানুষদের ফিরে যেতে হচ্ছে খালি হাতে।

উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা ফিরোজ হোসেন বলেন, “জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসে গিয়ে দেখি তালা ঝুলছে। কোনো সেবা না নিয়েই ফিরে আসতে হয়েছে। প্রায়ই অফিসটি বন্ধ থাকে বলে শুনেছি।”

এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিসংখ্যান তদন্তকারী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “চরম জনবল সংকটের মধ্যে পুরো অফিসের সব দায়িত্ব একাই পালন করছি। দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন জরিপের কাজে প্রায়ই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও জেলার বাইরে যেতে হয়। অফিসে কোনো অফিস সহকারী বা এমএলএসএস না থাকায় বাইরে গেলে বাধ্য হয়ে অফিস বন্ধ রাখতে হয়। অন্তত একজন পিয়ন বা এমএলএসএস থাকলেও অফিস খোলা রাখা সম্ভব হতো।”

এদিকে জনবল সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে জেলা পরিসংখ্যান অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, “কাউখালী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের জনবল সংকট সম্পর্কে আমরা অবগত রয়েছি। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত জনবল নিয়োগের মাধ্যমে এ সংকটের সমাধান হবে।”

দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকটে থাকা এ অফিসে দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারেন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে তোলা ছবি প্রোফাইলে ব্যবহার না করার অনুরোধ, নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ বার্তা

চার পদ শূন্য, এক কর্মকর্তার ওপর নির্ভরশীল কাউখালী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস

Update Time : ১১:২৫:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি :


পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসে অনুমোদিত পাঁচটি পদের মধ্যে চারটিই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় চরম জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে দাপ্তরিক কার্যক্রম। ফলে প্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা গেছে, অফিসের উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা, জুনিয়র পরিসংখ্যান অফিসার, চেইনম্যানসহ মোট চারটি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। মাত্র একজন পরিসংখ্যান তদন্তকারী মো. আসাদুজ্জামান পুরো অফিসের দায়িত্ব পালন করছেন। কর্মকর্তা, দাপ্তরিক কর্মচারী থেকে শুরু করে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজও একাই সামলাতে হচ্ছে তাঁকে।

জনবল সংকটের কারণে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা সরকারি কাজে বাইরে যেতে হলে অফিসে তালা ঝুলিয়ে যেতে বাধ্য হন তিনি। এতে সেবা নিতে আসা মানুষদের ফিরে যেতে হচ্ছে খালি হাতে।

উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা ফিরোজ হোসেন বলেন, “জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসে গিয়ে দেখি তালা ঝুলছে। কোনো সেবা না নিয়েই ফিরে আসতে হয়েছে। প্রায়ই অফিসটি বন্ধ থাকে বলে শুনেছি।”

এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিসংখ্যান তদন্তকারী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “চরম জনবল সংকটের মধ্যে পুরো অফিসের সব দায়িত্ব একাই পালন করছি। দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন জরিপের কাজে প্রায়ই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও জেলার বাইরে যেতে হয়। অফিসে কোনো অফিস সহকারী বা এমএলএসএস না থাকায় বাইরে গেলে বাধ্য হয়ে অফিস বন্ধ রাখতে হয়। অন্তত একজন পিয়ন বা এমএলএসএস থাকলেও অফিস খোলা রাখা সম্ভব হতো।”

এদিকে জনবল সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে জেলা পরিসংখ্যান অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, “কাউখালী উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের জনবল সংকট সম্পর্কে আমরা অবগত রয়েছি। বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত জনবল নিয়োগের মাধ্যমে এ সংকটের সমাধান হবে।”

দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকটে থাকা এ অফিসে দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারেন।

Spread the love