
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের নির্ধারিত সময়সীমা ২০৩০ সাল শেষ হতে আর মাত্র চার বছর বাকি থাকলেও এখন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১৯ শতাংশ সঠিক পথে রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে এসডিজি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ এবং উপকূলীয় অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়ন পরিকল্পনার মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে ‘গ্লোবাল অ্যাকশন উইক’ উপলক্ষে আয়োজিত এক নাগরিক সম্মিলনে এ দাবি জানানো হয়। জিক্যাপ (GCAP), এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ, এনআরডিএস ও স্বদেশের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মিলনে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন সিডো’র নির্বাহী পরিচালক শ্যামল বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ আ. হামিদ, শিক্ষাবিদ কিশোরী মোহন সরকার, জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু আফফান রোজ বাবু, নাগরিক নেতা আলীনুর খান বাবুল, উন্নয়নকর্মী শাকিবুর রহমান বাবলা, যুব প্রতিনিধি ইমতে জামিল ও বায়াজিদ হাসান, কিশোরী প্রতিনিধি নুরজাহান ময়না, ইদিচী আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান, নাগরিক প্রতিনিধি পবিত্রমোহন দাস, সাংবাদিক প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান সরদার, আমিনা বিলকিস ময়নাসহ নাগরিক সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা ও বৈষম্য নিরসনের ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে যে চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান, উপকূলীয় অঞ্চলে তার প্রভাব আরও গভীর। ফলে এসডিজি অর্জনের পথে উপকূলের জনগোষ্ঠীকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
তারা আরও বলেন, এসডিজি অর্জনের জন্য আগামী চার বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখন আর শুধু পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুবিচার নিশ্চিত করা, হতদরিদ্র, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, আদিবাসী ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
নাগরিক সম্মিলনে বক্তারা এসডিজির বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, ঘাটতি চিহ্নিতকরণ এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান। তারা বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে কাউকে পেছনে ফেলে রাখা যাবে না। এজন্য সরকার, উন্নয়ন সংস্থা ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
Reporter Name 
















