Dhaka ১০:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফরিদপুরে মিথ্যা মামলা করে নিজেই কারাগারে বাদী, দুই আসামি খালাস সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির নতুন সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ নদীভাঙনে দেবে গেছে আমরাজুরি ফেরিঘাটের ডালা, বন্ধ যানবাহন পারাপার কাউখালীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র গুরুতর আহত, বরিশালে রেফার চকরিয়ায় ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে মানববন্ধন, বৃহত্তর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সাতক্ষীরায় কীটনাশক স্প্রে করতে গিয়ে নিখোঁজ, চার দিন পর ধানক্ষেতে মিলল মনোরঞ্জনের মরদেহ কাউখালীতে কঁচা নদীতে ৬৫ হাজার টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ বাকেরগঞ্জে ইটভাঙা মালিক-শ্রমিক ঐক্য কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন নেছারাবাদে শীতলা মন্দিরের ৪২ শতাংশ জমি জবরদখলের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত দাবি

সাতক্ষীরা তালা মন্ডলকে হত্যামামলায় ৮ দিনেও গ্রেপ্তার নেই কেউ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:২৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ Time View

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা সদর ইউনিয়নের জেয়ালা পূর্বপাড়ার ঘের মালিক ক্ষিতিশ মণ্ডলকে ঘেরের বাসা থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে মব সৃষ্টির মাধ্যমে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ গত ৮ দিনেও কোন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। উপরন্তু মামলা তুলে নেওয়ার জন্য মামলার বাদি, ছেলে ও সাক্ষীদের হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে উৎকণ্ঠায়
রয়েছে নিহতের পরিবারের স্বজনরা।

তালা উপজেলার জেয়ালা গ্রামের প্রকাশ মণ্ডল তার চাচাত ভাই ক্ষিতিশ মণ্ডলের মৃত্যুকালিন জবানবন্দির বরাত দিয়ে এ প্রতিবেদককে জানান, খুলনার ডুমুরিয়া থানাধীন চণ্ডিপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে ইব্রাহীম
হোসেন (২৮) সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে একটি গাছ
থেকে চুরি করে নারিকেল পাড়ার সময় দেখতে পেয়ে
প্রতিবাদ করেন। এ সময় ইব্রাহীম তার ভাই ক্ষিতিশকে
জীবননাশের হুমকি দেন। ইব্রাহীমের কাছের লোক ও একই গ্রামের আব্বাস শেখের ছেলে ঘের মালিক শেখ হাবিবুর রহমান তার ভাই ক্ষিতিশকে ১০ অক্টোবর একটি কাজ করে দেওয়ার কথা বলেন। সে অনুযায়ি গত ১৬ অক্টোবর ভোর তিনটার দিকে তাকে ফোন করে ঘেরের বাসা থেকে হাবিবুরের ঘেরের বাসায় নিয়ে যান ।

সেখানে তাকে পার্শ্ববর্তী কানা বিশ্বনাথ ঘোষের ঘের থেকে জাল দিয়ে মাছ ধরে তার (হাবিবুর) ঘেরে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন। রাজী না হওয়ায় ভাই ক্ষিতিশকে মারপিট করে কানা বিশ্বনাথের ঘেরে ফেলে দিয়ে চোর চোর বলে চিৎকার করে।

ভাই ডুব মেরে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পূর্ব
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা
ইব্রাহীম হোসেন নৌকার বৈঠা দিয়ে ভাই ক্ষিতিশের
মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। পানি
থেকে তুলে তাকে ডাঙায় এনে ইব্রাহীম, তার সহযোগী
গফফার শেখ, রবিউল ও মাজেদ লেঅহার রড দিয়ে ভাইকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। পরে তাকে নিয়ে জেয়ালা ঘোষপাড়া মহাশ্মশানে নিয়ে আমগাছে পিছ
মোড়া দিয়ে বেঁধে দুই পা ও বুকের পাজড় ইট, হাতুড়ি ও
লোহার রড দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। দুপুর ১২টার দিকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভাই ক্ষিতিশ মারা যায়।

সুলেখা মণ্ডল জানান, তার স্বামীকে নৃশংসভাবে
নির্যাতনের সময় স্থাবর ও অস্থাবর সব কিছু দেওয়ার
বিনিময়েও জীবন ভিক্ষা মেলেনি। এমনকি তার কাছে
দেওয়ার আগে কয়েকটি অলিখিত নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প
ও সাদা কাগজে সাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়। স্বামী মারা
যাওয়ার পর তিনি ইব্রাহীম, হাবিবুরসহ ১০ জনের নাম
উল্লেখ করে মামলা করেছেন। অথচ ঘটনার পরবর্তী আট

দিনেও পুলিশ তার স্বামী হত্যা মামলার আসামীকে
গ্রেপ্তার করতে পারেনি। মূল আসামী ইব্রাহীম ও
হাবিবুরকে পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঘুরে বেড়ানোর কথা
জানতে পারলেও পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না। উপরন্তু একটি
রাজনৈতিক দলের নেতাদের আশ্রয়ে থেকে কথক আসামী নিজেদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। বিভিন্ন লোক দিয়ে তাকে, ছেলে উৎপল মণ্ডল ও সাক্ষীদের মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার
তালা থানার উপপরিদর্শক আমিরুজ্জামান মোল্লা জানান,
তারা অভিযান অব্যহত রেখেছেন। আসামীরা

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরে মিথ্যা মামলা করে নিজেই কারাগারে বাদী, দুই আসামি খালাস

সাতক্ষীরা তালা মন্ডলকে হত্যামামলায় ৮ দিনেও গ্রেপ্তার নেই কেউ

Update Time : ০৬:২৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা সদর ইউনিয়নের জেয়ালা পূর্বপাড়ার ঘের মালিক ক্ষিতিশ মণ্ডলকে ঘেরের বাসা থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে মব সৃষ্টির মাধ্যমে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ গত ৮ দিনেও কোন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। উপরন্তু মামলা তুলে নেওয়ার জন্য মামলার বাদি, ছেলে ও সাক্ষীদের হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে উৎকণ্ঠায়
রয়েছে নিহতের পরিবারের স্বজনরা।

তালা উপজেলার জেয়ালা গ্রামের প্রকাশ মণ্ডল তার চাচাত ভাই ক্ষিতিশ মণ্ডলের মৃত্যুকালিন জবানবন্দির বরাত দিয়ে এ প্রতিবেদককে জানান, খুলনার ডুমুরিয়া থানাধীন চণ্ডিপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে ইব্রাহীম
হোসেন (২৮) সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে একটি গাছ
থেকে চুরি করে নারিকেল পাড়ার সময় দেখতে পেয়ে
প্রতিবাদ করেন। এ সময় ইব্রাহীম তার ভাই ক্ষিতিশকে
জীবননাশের হুমকি দেন। ইব্রাহীমের কাছের লোক ও একই গ্রামের আব্বাস শেখের ছেলে ঘের মালিক শেখ হাবিবুর রহমান তার ভাই ক্ষিতিশকে ১০ অক্টোবর একটি কাজ করে দেওয়ার কথা বলেন। সে অনুযায়ি গত ১৬ অক্টোবর ভোর তিনটার দিকে তাকে ফোন করে ঘেরের বাসা থেকে হাবিবুরের ঘেরের বাসায় নিয়ে যান ।

সেখানে তাকে পার্শ্ববর্তী কানা বিশ্বনাথ ঘোষের ঘের থেকে জাল দিয়ে মাছ ধরে তার (হাবিবুর) ঘেরে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেন। রাজী না হওয়ায় ভাই ক্ষিতিশকে মারপিট করে কানা বিশ্বনাথের ঘেরে ফেলে দিয়ে চোর চোর বলে চিৎকার করে।

ভাই ডুব মেরে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পূর্ব
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা
ইব্রাহীম হোসেন নৌকার বৈঠা দিয়ে ভাই ক্ষিতিশের
মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। পানি
থেকে তুলে তাকে ডাঙায় এনে ইব্রাহীম, তার সহযোগী
গফফার শেখ, রবিউল ও মাজেদ লেঅহার রড দিয়ে ভাইকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। পরে তাকে নিয়ে জেয়ালা ঘোষপাড়া মহাশ্মশানে নিয়ে আমগাছে পিছ
মোড়া দিয়ে বেঁধে দুই পা ও বুকের পাজড় ইট, হাতুড়ি ও
লোহার রড দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। দুপুর ১২টার দিকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভাই ক্ষিতিশ মারা যায়।

সুলেখা মণ্ডল জানান, তার স্বামীকে নৃশংসভাবে
নির্যাতনের সময় স্থাবর ও অস্থাবর সব কিছু দেওয়ার
বিনিময়েও জীবন ভিক্ষা মেলেনি। এমনকি তার কাছে
দেওয়ার আগে কয়েকটি অলিখিত নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প
ও সাদা কাগজে সাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়। স্বামী মারা
যাওয়ার পর তিনি ইব্রাহীম, হাবিবুরসহ ১০ জনের নাম
উল্লেখ করে মামলা করেছেন। অথচ ঘটনার পরবর্তী আট

দিনেও পুলিশ তার স্বামী হত্যা মামলার আসামীকে
গ্রেপ্তার করতে পারেনি। মূল আসামী ইব্রাহীম ও
হাবিবুরকে পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঘুরে বেড়ানোর কথা
জানতে পারলেও পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না। উপরন্তু একটি
রাজনৈতিক দলের নেতাদের আশ্রয়ে থেকে কথক আসামী নিজেদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। বিভিন্ন লোক দিয়ে তাকে, ছেলে উৎপল মণ্ডল ও সাক্ষীদের মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার
তালা থানার উপপরিদর্শক আমিরুজ্জামান মোল্লা জানান,
তারা অভিযান অব্যহত রেখেছেন। আসামীরা

Spread the love