প্রতিনিধি, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা এলাকায় বিসিআইসি সার ডিলার ও সাধারণ ব্যবসায়ী মেসার্স পারভেজ ইকবালের দোকান নিয়মিত খোলা না রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রয়োজনের সময় সার, বীজ ও কীটনাশক না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা।
উপকারভোগী কৃষকদের অভিযোগ, ডিলার মো. পারভেজ মিয়া নিয়মিত দোকানে থাকেন না। সপ্তাহে দু-একদিন দোকান খোলা পাওয়া গেলেও বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকে। ফলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ কিনতে এসে ফিরে যেতে হয়।
শনিবার (২২ আগস্ট) সরেজমিনে আটঘর-কুড়িয়ানা এলাকায় গিয়ে ডিলারের দোকানটি ডাবল তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। আশপাশের ব্যবসায়ীরা জানান, ডিলার সপ্তাহে দু-একদিন দোকানে আসেন। তবে দোকান বন্ধ থাকলেও পাশের দোকানে চাবি রেখে যাওয়ার কথা তারা জানান।
এ বিষয়ে ডিলার মো. পারভেজ দোকান বন্ধ থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “দোকানে একজন লোক রেখেছিলাম, সে চলে যাওয়ার পর মাঝে মাঝে দোকান বন্ধ থাকে। শীগ্রই নতুন লোক রাখব। সার আনতে বা সাব-ডিলারদের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় দেখা করতে গেলে দোকান বন্ধ রাখতে হয়। তবে বন্ধের সময় পাশের দোকানে চাবি রেখে যাই, যাতে কৃষকদের সার-বীজ পেতে সমস্যা না হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, “সার ডিলারের দোকান বন্ধ রাখার কোনো সুযোগ নেই। সময়মতো দোকান খোলা রাখতে হবে। বিষয়টি নিয়ে ডিলারের সঙ্গে কথা বলছি, যাতে নিয়মিত দোকান খোলা রাখা হয়।
এদিকে স্থানীয় কৃষকদের দাবি, ডিলারের বাড়ি নদীর পশ্চিম পাড়ে এবং তিনি অন্য ইউনিয়নের বাসিন্দা হওয়ায় নিয়মিত দোকানে আসেন না। কৃষকদের স্বার্থে প্রয়োজন হলে ডিলারশিপ পরিবর্তন করে স্থানীয় কোনো ডিলার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন তারা।
Reporter Name 














