Dhaka ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে কাউখালী হাসপাতাল, বাড়ছে উদ্বেগ সাতক্ষীরায় ‘গরীবের মেহমানখানা’ কর্মসূচিতে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ কালিগঞ্জে সেভেন আপের বোতলে রাখা ঘাসমারা ওষুধ পান করে ব্যবসায়ীর মৃত্যু সদর সার্কেল অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা বানারীপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ, ফ্যাক্ট চেকিং ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা রামপালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বানারীপাড়ায় ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ সাতক্ষীরায় প্রাক্তন নিবন্ধিত শিশু ও যুবদের নিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার রসুলপুরে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

“AI ক্যামেরায় সরাসরি মামলা” : ঢাকার সড়কে শুরু হলো নতুন বাস্তবতা

 

সাউথ বেঙ্গল নিউজ ডেস্ক ;

রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে নতুন যুগে প্রবেশ করেছে Dhaka Metropolitan Police। আজ থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে চালু হয়েছে AI চালিত ক্যামেরা ও E-Prosecution ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা ও জরিমানা করা হবে।
নতুন এ ব্যবস্থায় আইন ভঙ্গকারী চালককে রাস্তায় থামানো হবে না। তবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত স্মার্ট ক্যামেরা গাড়ির নম্বরপ্লেট শনাক্ত করে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য সংরক্ষণ করবে। এরপর সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইলে জরিমানার নোটিশ বা SMS পাঠানো হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর শাহবাগ, বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটরসহ অন্তত ২০টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোট ২৫টি স্মার্ট সিগন্যাল ও AI ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
এই ক্যামেরাগুলো লাল বাতি অমান্য করা, জেব্রা ক্রসিং ব্লক করা, উল্টো পথে গাড়ি চালানো, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, সিটবেল্ট না পরা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং অনুমতি ছাড়া ভিআইপি লাইট ব্যবহারের মতো বিভিন্ন অপরাধ শনাক্ত করতে সক্ষম।
Bangladesh Road Transport Authority ও পুলিশ বিভাগের সমন্বয়ে পরিচালিত এই ব্যবস্থায় গাড়ির কাগজপত্র ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্যও স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে বলে জানা গেছে।সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী, ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালালে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এছাড়া রাজধানীর কিছু এলাকায় স্মার্ট ট্রাফিক সিগন্যাল ও পুশ-বাটন পেডেস্ট্রিয়ান ক্রসিং চালু করা হয়েছে। এসব নির্দেশনা অমান্য করলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা রেকর্ড হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গাড়ির মালিকদের অবশ্যই রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে সংযুক্ত মোবাইল নম্বর সচল রাখতে হবে। কারণ, ড্রাইভার আইন ভঙ্গ করলেও মামলার দায় প্রাথমিকভাবে গাড়ির মালিকের ওপরই বর্তাবে।
নতুন এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ট্রাফিক আইন মানতে জনগণকে আরও সচেতন করাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে কাউখালী হাসপাতাল, বাড়ছে উদ্বেগ

“AI ক্যামেরায় সরাসরি মামলা” : ঢাকার সড়কে শুরু হলো নতুন বাস্তবতা

Update Time : ০৫:২২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

 

সাউথ বেঙ্গল নিউজ ডেস্ক ;

রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে নতুন যুগে প্রবেশ করেছে Dhaka Metropolitan Police। আজ থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে চালু হয়েছে AI চালিত ক্যামেরা ও E-Prosecution ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা ও জরিমানা করা হবে।
নতুন এ ব্যবস্থায় আইন ভঙ্গকারী চালককে রাস্তায় থামানো হবে না। তবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত স্মার্ট ক্যামেরা গাড়ির নম্বরপ্লেট শনাক্ত করে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য সংরক্ষণ করবে। এরপর সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইলে জরিমানার নোটিশ বা SMS পাঠানো হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর শাহবাগ, বিজয় সরণি, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটরসহ অন্তত ২০টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোট ২৫টি স্মার্ট সিগন্যাল ও AI ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
এই ক্যামেরাগুলো লাল বাতি অমান্য করা, জেব্রা ক্রসিং ব্লক করা, উল্টো পথে গাড়ি চালানো, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, সিটবেল্ট না পরা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং অনুমতি ছাড়া ভিআইপি লাইট ব্যবহারের মতো বিভিন্ন অপরাধ শনাক্ত করতে সক্ষম।
Bangladesh Road Transport Authority ও পুলিশ বিভাগের সমন্বয়ে পরিচালিত এই ব্যবস্থায় গাড়ির কাগজপত্র ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্যও স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে বলে জানা গেছে।সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী, ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালালে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এছাড়া রাজধানীর কিছু এলাকায় স্মার্ট ট্রাফিক সিগন্যাল ও পুশ-বাটন পেডেস্ট্রিয়ান ক্রসিং চালু করা হয়েছে। এসব নির্দেশনা অমান্য করলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা রেকর্ড হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গাড়ির মালিকদের অবশ্যই রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে সংযুক্ত মোবাইল নম্বর সচল রাখতে হবে। কারণ, ড্রাইভার আইন ভঙ্গ করলেও মামলার দায় প্রাথমিকভাবে গাড়ির মালিকের ওপরই বর্তাবে।
নতুন এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ট্রাফিক আইন মানতে জনগণকে আরও সচেতন করাই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Spread the love