Dhaka ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামপালকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশু মুক্ত ঘোষণা দায়িত্বপ্রাপ্ত মহিলা সাংসদ বিথীকা বিনতে হোসেনের সঙ্গে আব্দুর রউফের সৌজন্য সাক্ষাৎ সাতক্ষীরায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক নির্মল বায়ু ও নীল আকাশ দিবস সাতক্ষীরা সংবাদ প্রকাশের জেরে সাতনদী সম্পাদকের ওপর হামলার সাতক্ষীরা থেকে বিশ্বজয়ী পেসার: ৩১ বছরে পা দিলেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ কাউখালীতে চৌকিদারদের দিকনির্দেশনা দিলেন ওসি আনোয়ার হোসেন পিরোজপুরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা: বিশেষ পারফরম্যান্সে পুরস্কৃত কাউখালী ওসি আনোয়ার হোসেন পিরোজপুরে অস্ত্র-গুলি ও গাঁজাসহ যুবক আটক ভাণ্ডারিয়ায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী, বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান সাতক্ষীরা কলারোয়ায় সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে পেঁপের বাম্পার ফলন

কলারোয়ায় ৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৫০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ Time View

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি

ভাগ্য বদলের আশায় স্বজনদের মুখে হাসি ফোটাতে সুদূর লেবাননে পাড়ি জমিয়েছিলেন তরুণ শুভ দাস। কিন্তু জীবিত আর ফেরা হলো না তাঁর। মৃত্যুর ৩ মাস ২৫ দিন পর কফিনবন্দি হয়ে রোববার সকালে নিজ বাড়িতে ফিরেছে তাঁর নিথর দেহ। এ সময় পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ।

শুভ দাস (২৩) লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত তিন বাংলাদেশি প্রবাসীর একজন। তিনি কলারোয়া উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামের ভ্যানচালক সুরঞ্জন দাস ও ধানচাতাল শ্রমিক শিখা দাসের মেজো ছেলে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১২ মে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের জেবদিন এলাকায় একটি রুটি বহনকারী গাড়িতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান একই এলাকায় কর্মরত তিন বাংলাদেশি প্রবাসী। তাঁরা হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শফিকুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলার নাহিদুল ইসলাম নাহিদ এবং কলারোয়ার শুভ দাস।

শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলামের মরদেহ গত ২৭ জুন দেশে আনা হয়। তবে নানা জটিলতার কারণে শুভ দাসের মরদেহ দেশে আনতে প্রায় চার মাস সময় লেগে যায়।

নিহতের বাবা সুরঞ্জন দাস জানান, পরিবারের অভাব-অনটন দূর করতে জমি ও গবাদিপশু বিক্রি এবং ধারদেনা করে ছেলেকে লেবাননে পাঠিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু ভাগ্য বদলের সেই স্বপ্ন তছনছ করে দিয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের খুলনাস্থ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহকারী পরিচালক মঈন আহমেদ জানান, মরদেহ সৎকারের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং যুদ্ধে নিহত হওয়ায় বিশেষ অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আর্থিক অনুদান হিসেবে ৩ লাখ টাকা এবং বীমা বাবদ আরও ১০ লাখ টাকা পাবে নিহতের পরিবার।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রামপালকে বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও স্কুল বহির্ভূত শিশু মুক্ত ঘোষণা

কলারোয়ায় ৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহ

Update Time : ০২:৫০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি

ভাগ্য বদলের আশায় স্বজনদের মুখে হাসি ফোটাতে সুদূর লেবাননে পাড়ি জমিয়েছিলেন তরুণ শুভ দাস। কিন্তু জীবিত আর ফেরা হলো না তাঁর। মৃত্যুর ৩ মাস ২৫ দিন পর কফিনবন্দি হয়ে রোববার সকালে নিজ বাড়িতে ফিরেছে তাঁর নিথর দেহ। এ সময় পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ।

শুভ দাস (২৩) লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত তিন বাংলাদেশি প্রবাসীর একজন। তিনি কলারোয়া উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামের ভ্যানচালক সুরঞ্জন দাস ও ধানচাতাল শ্রমিক শিখা দাসের মেজো ছেলে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১২ মে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের জেবদিন এলাকায় একটি রুটি বহনকারী গাড়িতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান একই এলাকায় কর্মরত তিন বাংলাদেশি প্রবাসী। তাঁরা হলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শফিকুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলার নাহিদুল ইসলাম নাহিদ এবং কলারোয়ার শুভ দাস।

শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলামের মরদেহ গত ২৭ জুন দেশে আনা হয়। তবে নানা জটিলতার কারণে শুভ দাসের মরদেহ দেশে আনতে প্রায় চার মাস সময় লেগে যায়।

নিহতের বাবা সুরঞ্জন দাস জানান, পরিবারের অভাব-অনটন দূর করতে জমি ও গবাদিপশু বিক্রি এবং ধারদেনা করে ছেলেকে লেবাননে পাঠিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু ভাগ্য বদলের সেই স্বপ্ন তছনছ করে দিয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের খুলনাস্থ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহকারী পরিচালক মঈন আহমেদ জানান, মরদেহ সৎকারের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং যুদ্ধে নিহত হওয়ায় বিশেষ অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আর্থিক অনুদান হিসেবে ৩ লাখ টাকা এবং বীমা বাবদ আরও ১০ লাখ টাকা পাবে নিহতের পরিবার।

Spread the love