Dhaka ০৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাটকেলঘাটা থানা ভবনের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ বাকেরগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি, সভাপতি রিমন সম্পাদক মোর্শেদ কালিগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক, পালালেন এক ব্যক্তি চোখ পরীক্ষা, ডায়াবেটিস পরীক্ষা, বিনামূল্যে চশমা ও ওষুধ বিতরণ সাতক্ষীরায় আইনজীবীদের লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে তলবি সভা সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি কাউখালীতে আগাম লাউ চাষে বাম্পার ফলন, হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে চকরিয়ায় প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বৃত্তি আয়োজনের অভিযোগ, ১৪৫ বিদ্যালয়ে জরুরি চিঠি কলারোয়ায় ইটভাটার মালিকানা নিয়ে বিরোধ, বিএনপি নেতা আক্তারুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ সাতক্ষীরায় নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন

কাউখালীতে আমন মৌসুমে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কঠোর মনিটরিং, ন্যায্যমূল্যে সার পেয়ে খুশি কৃষক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭৩ Time View

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

 

চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের কাছে নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দিতে এবং সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা কৃষি অফিস। মাঠপর্যায়ে সরকারি গোডাউন ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সারের মজুদ ও বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কাউখালীতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে কৃষি বিভাগ সার্বক্ষণিক কাজ করছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট, অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা কৃষকদের হয়রানি রোধে বিসিআইসি ডিলারদের গোডাউন এবং খুচরা সারের দোকানগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। পরিদর্শনের সময় সারের মজুদ পরিস্থিতি, বিক্রয় রেজিস্টার এবং মূল্যতালিকাও যাচাই করা হচ্ছে।

 

উপজেলার জয়কুল গ্রামের কৃষক মো. শাহিন বলেন, “আমি স্থানীয় ডিলারের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত দামেই সার কিনতে পেরেছি। কোনো অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়নি। সময়মতো সার পাওয়ায় আমন চাষে স্বস্তি পাচ্ছি।”

 

স্থানীয় বিসিআইসি ডিলার মেসার্স এফ রহমান অ্যান্ড ব্রাদার্স এবং খুচরা বিক্রেতা মো. রফিক জানান, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত তাদের গোডাউন ও দোকান পরিদর্শন করছেন। বিক্রয় রেজিস্টার পর্যালোচনার পাশাপাশি সঠিকভাবে সার বিতরণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে।

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার হালদার বলেন, উপজেলার প্রায় সব আবাদযোগ্য জমিই চলতি মৌসুমে আমন চাষের আওতায় এসেছে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে এবং বর্তমানে কোনো ধরনের সংকট নেই।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোমা রানী দাস বলেন, “সারের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমরা নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছি। কাউখালীতে সারের কোনো ঘাটতির আশঙ্কা নেই। ধারাবাহিক তদারকির অংশ হিসেবে রবিবার (২৩ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার দোকান পরিদর্শন করা হয়েছে।”

 

কৃষি বিভাগের এমন সক্রিয় তদারকি ও প্রশাসনিক উদ্যোগে চলতি আমন মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট ও ভোগান্তি দূর হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। তাদের মতে, ন্যায্যমূল্যে ও সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত হলে আমন উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা লাভবান হবেন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পাটকেলঘাটা থানা ভবনের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ

কাউখালীতে আমন মৌসুমে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কঠোর মনিটরিং, ন্যায্যমূল্যে সার পেয়ে খুশি কৃষক

Update Time : ০২:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

 

চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের কাছে নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দিতে এবং সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা কৃষি অফিস। মাঠপর্যায়ে সরকারি গোডাউন ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সারের মজুদ ও বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কাউখালীতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে কৃষি বিভাগ সার্বক্ষণিক কাজ করছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট, অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা কৃষকদের হয়রানি রোধে বিসিআইসি ডিলারদের গোডাউন এবং খুচরা সারের দোকানগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। পরিদর্শনের সময় সারের মজুদ পরিস্থিতি, বিক্রয় রেজিস্টার এবং মূল্যতালিকাও যাচাই করা হচ্ছে।

 

উপজেলার জয়কুল গ্রামের কৃষক মো. শাহিন বলেন, “আমি স্থানীয় ডিলারের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত দামেই সার কিনতে পেরেছি। কোনো অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়নি। সময়মতো সার পাওয়ায় আমন চাষে স্বস্তি পাচ্ছি।”

 

স্থানীয় বিসিআইসি ডিলার মেসার্স এফ রহমান অ্যান্ড ব্রাদার্স এবং খুচরা বিক্রেতা মো. রফিক জানান, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত তাদের গোডাউন ও দোকান পরিদর্শন করছেন। বিক্রয় রেজিস্টার পর্যালোচনার পাশাপাশি সঠিকভাবে সার বিতরণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে।

 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার হালদার বলেন, উপজেলার প্রায় সব আবাদযোগ্য জমিই চলতি মৌসুমে আমন চাষের আওতায় এসেছে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে এবং বর্তমানে কোনো ধরনের সংকট নেই।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোমা রানী দাস বলেন, “সারের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমরা নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছি। কাউখালীতে সারের কোনো ঘাটতির আশঙ্কা নেই। ধারাবাহিক তদারকির অংশ হিসেবে রবিবার (২৩ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার দোকান পরিদর্শন করা হয়েছে।”

 

কৃষি বিভাগের এমন সক্রিয় তদারকি ও প্রশাসনিক উদ্যোগে চলতি আমন মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট ও ভোগান্তি দূর হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। তাদের মতে, ন্যায্যমূল্যে ও সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত হলে আমন উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা লাভবান হবেন।

Spread the love