Dhaka ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে কাউখালী হাসপাতাল, বাড়ছে উদ্বেগ সাতক্ষীরায় ‘গরীবের মেহমানখানা’ কর্মসূচিতে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ কালিগঞ্জে সেভেন আপের বোতলে রাখা ঘাসমারা ওষুধ পান করে ব্যবসায়ীর মৃত্যু সদর সার্কেল অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা বানারীপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ, ফ্যাক্ট চেকিং ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা রামপালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বানারীপাড়ায় ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ সাতক্ষীরায় প্রাক্তন নিবন্ধিত শিশু ও যুবদের নিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার রসুলপুরে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা, গার্লস স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত

 

প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা ;

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের গৃহীত সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে। এক মাস পার হলেও ভর্তি কমিটির সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাউকেই ভর্তি করা হয়নি বলে জানা গেছে।

গত ১১ মার্চ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় অভিভাবকদের আবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে ছয়জনের জন্য সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নির্ধারিত ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশ তালিকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ না করে উল্টো হয়রানিমূলক আচরণ করছে।

এক অভিভাবক জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে স্কুলে গেলেও তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে শেষে ভর্তি না নেওয়ার কথা জানানো হয়। এ সময় অপ্রাসঙ্গিক ও অসম্মানজনক মন্তব্যও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অন্য অভিভাবকদেরও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানা গেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, নির্ধারিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি না করিয়ে পরবর্তীতে নিজেদের পছন্দের শিক্ষার্থীদের সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এদিকে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীন দাবি করেছেন, একটি আবেদনের বিষয়ে তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং কিছু জটিলতার কারণে এখনো ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবকরা।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে কাউখালী হাসপাতাল, বাড়ছে উদ্বেগ

জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা, গার্লস স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত

Update Time : ০৫:১৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

 

প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা ;

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের গৃহীত সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে। এক মাস পার হলেও ভর্তি কমিটির সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাউকেই ভর্তি করা হয়নি বলে জানা গেছে।

গত ১১ মার্চ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় অভিভাবকদের আবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে ছয়জনের জন্য সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নির্ধারিত ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশ তালিকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ না করে উল্টো হয়রানিমূলক আচরণ করছে।

এক অভিভাবক জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে স্কুলে গেলেও তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে শেষে ভর্তি না নেওয়ার কথা জানানো হয়। এ সময় অপ্রাসঙ্গিক ও অসম্মানজনক মন্তব্যও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অন্য অভিভাবকদেরও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানা গেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, নির্ধারিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি না করিয়ে পরবর্তীতে নিজেদের পছন্দের শিক্ষার্থীদের সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এদিকে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীন দাবি করেছেন, একটি আবেদনের বিষয়ে তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং কিছু জটিলতার কারণে এখনো ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবকরা।

Spread the love