Dhaka ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাউখালীতে শহীদ জিয়া স্মৃতি মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা-কলারোয়া সীমান্তে প্রায় ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ তালায় খাঁচায় আটকে গুরুতর আহত বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার সাতক্ষীরায় সুপারির বাণিজ্যিক চাষ, বছরে বিক্রি ২২ কোটি টাকার সাতক্ষীরার ছয়ঘরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নারীর কাউখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’ এর উদ্বোধন সাতক্ষীরায় বায়তুল হামদ্ জামে মসজিদের ছাদ ঢালাইয়ের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’-এর যাত্রা শুরু সাতক্ষীরার মানুষের খাদেম হয়ে কাজ করতে চাই: এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সুন্দরবনে বনদস্যুদের আতঙ্কে জেলেরা, নির্মূলের দাবিতে কয়রায় মানববন্ধন

জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা, গার্লস স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত

 

প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা ;

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের গৃহীত সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে। এক মাস পার হলেও ভর্তি কমিটির সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাউকেই ভর্তি করা হয়নি বলে জানা গেছে।

গত ১১ মার্চ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় অভিভাবকদের আবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে ছয়জনের জন্য সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নির্ধারিত ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশ তালিকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ না করে উল্টো হয়রানিমূলক আচরণ করছে।

এক অভিভাবক জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে স্কুলে গেলেও তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে শেষে ভর্তি না নেওয়ার কথা জানানো হয়। এ সময় অপ্রাসঙ্গিক ও অসম্মানজনক মন্তব্যও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অন্য অভিভাবকদেরও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানা গেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, নির্ধারিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি না করিয়ে পরবর্তীতে নিজেদের পছন্দের শিক্ষার্থীদের সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এদিকে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীন দাবি করেছেন, একটি আবেদনের বিষয়ে তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং কিছু জটিলতার কারণে এখনো ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবকরা।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউখালীতে শহীদ জিয়া স্মৃতি মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা, গার্লস স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত

Update Time : ০৫:১৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

 

প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা ;

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের গৃহীত সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে। এক মাস পার হলেও ভর্তি কমিটির সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাউকেই ভর্তি করা হয়নি বলে জানা গেছে।

গত ১১ মার্চ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সভায় অভিভাবকদের আবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে মোট ১৩ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে ছয়জনের জন্য সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নির্ধারিত ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশ তালিকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ না করে উল্টো হয়রানিমূলক আচরণ করছে।

এক অভিভাবক জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে স্কুলে গেলেও তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে শেষে ভর্তি না নেওয়ার কথা জানানো হয়। এ সময় অপ্রাসঙ্গিক ও অসম্মানজনক মন্তব্যও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অন্য অভিভাবকদেরও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানা গেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, নির্ধারিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি না করিয়ে পরবর্তীতে নিজেদের পছন্দের শিক্ষার্থীদের সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এদিকে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীন দাবি করেছেন, একটি আবেদনের বিষয়ে তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং কিছু জটিলতার কারণে এখনো ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিভাবকরা।

Spread the love