Dhaka ০২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি পালিত হয়েছে কাউখালীতে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, দুর্ভোগে শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীরা কাউখালীতে দুই মাসেও উদঘাটন হয়নি উপজেলা ভূমি অফিসে চুরি/ দ্রুত রহস্য উদঘাটনের আশ্বাস প্রশাসনের নেছারাবাদে আইডিয়াল ইনস্টিটিউটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ফল উৎসব’ ভাণ্ডারিয়ায় হানিফ পরিবহনের ধাক্কায় প্রাণ গেল অটোরিকশা চালকের,আহত দম্পতি স্ত্রীর অজান্তে নবজাতক কন্যাকে বিক্রি, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার; বাবাসহ আটক ৮ চকরিয়ায় হাতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে উঠান বৈঠক রাজবাড়ীতে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার পাথরঘাটায় অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দৌরাত্ম্য, প্রতারণার শিকার রোগীরা কুড়িগ্রামে ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের উদ্যোগে বিনামূল্যে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ

দৌলতদিয়ায় বারবার বাসডুবি কর্তৃপক্ষের চরম ব্যর্থতা, ঝুঁকিতে জনজীবন: এনপিপি চেয়ারম্যান

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ৯৩ Time View

 

নিজস্ব প্রতিবেদক। ঢাকা

​দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে একের পর এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে জননিরাপত্তা এখনো চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)’র চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ছালাউদ্দিন ছালু।

​শনিবার (৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

​বিবৃতিতে শেখ ছালাউদ্দিন ছালু বলেন, সম্প্রতি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে আবারও একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা দেশের নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

​এ সময় নৌপুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “সৌভাগ্যবশত নৌপুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় যাত্রীরা আগে থেকেই বাস থেকে নেমে যাওয়ায় অন্তত ৪২ জন যাত্রী প্রাণে বেঁচে যান। তবে বাসচালক ও হেলপার আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আমি তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।”

​”মাত্র আড়াই মাস আগে একই ঘাটে আরেকটি বাস নদীতে পড়ে গিয়ে ২৬ জন যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল। এত বড় প্রাণহানির পরও যদি ঘাটের অবকাঠামো, র‍্যাম, পল্টুন এবং যানবাহন ওঠানামার নিরাপত্তা ব্যবস্থার দৃশ্যমান উন্নয়ন না ঘটে, তাহলে এটি দায়িত্বশীলতার চরম ব্যর্থতা।”

আলহাজ্ব শেখ ছালাউদ্দিন ছালু, তদন্ত কমিটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, প্রতিটি দুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সুপারিশ বাস্তবায়নের কোনো খবর পাওয়া যায় না। ফলে একই ধরনের দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে এবং সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এর খেসারত দিতে হচ্ছে।

​তিনি অবিলম্বে দৌলতদিয়া ও দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফেরিঘাটে আধুনিক ও টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। একই সাথে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

​বিবৃতির শেষে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “মানুষের জীবন কোনো পরীক্ষার বিষয় নয়। প্রতিটি দুর্ঘটনার পর কেবল শোক প্রকাশ করা কোনো সমাধান নয়, বরং আগাম নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল দায়িত্ব। দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বারবার একই দুর্ঘটনা প্রমাণ করে যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছে না।”

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূরুঙ্গামারীতে ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি পালিত হয়েছে

দৌলতদিয়ায় বারবার বাসডুবি কর্তৃপক্ষের চরম ব্যর্থতা, ঝুঁকিতে জনজীবন: এনপিপি চেয়ারম্যান

Update Time : ০৯:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

 

নিজস্ব প্রতিবেদক। ঢাকা

​দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে একের পর এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে জননিরাপত্তা এখনো চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)’র চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ছালাউদ্দিন ছালু।

​শনিবার (৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

​বিবৃতিতে শেখ ছালাউদ্দিন ছালু বলেন, সম্প্রতি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে আবারও একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা দেশের নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

​এ সময় নৌপুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “সৌভাগ্যবশত নৌপুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় যাত্রীরা আগে থেকেই বাস থেকে নেমে যাওয়ায় অন্তত ৪২ জন যাত্রী প্রাণে বেঁচে যান। তবে বাসচালক ও হেলপার আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আমি তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।”

​”মাত্র আড়াই মাস আগে একই ঘাটে আরেকটি বাস নদীতে পড়ে গিয়ে ২৬ জন যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল। এত বড় প্রাণহানির পরও যদি ঘাটের অবকাঠামো, র‍্যাম, পল্টুন এবং যানবাহন ওঠানামার নিরাপত্তা ব্যবস্থার দৃশ্যমান উন্নয়ন না ঘটে, তাহলে এটি দায়িত্বশীলতার চরম ব্যর্থতা।”

আলহাজ্ব শেখ ছালাউদ্দিন ছালু, তদন্ত কমিটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, প্রতিটি দুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সুপারিশ বাস্তবায়নের কোনো খবর পাওয়া যায় না। ফলে একই ধরনের দুর্ঘটনা বারবার ঘটছে এবং সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এর খেসারত দিতে হচ্ছে।

​তিনি অবিলম্বে দৌলতদিয়া ও দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফেরিঘাটে আধুনিক ও টেকসই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। একই সাথে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

​বিবৃতির শেষে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “মানুষের জীবন কোনো পরীক্ষার বিষয় নয়। প্রতিটি দুর্ঘটনার পর কেবল শোক প্রকাশ করা কোনো সমাধান নয়, বরং আগাম নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল দায়িত্ব। দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বারবার একই দুর্ঘটনা প্রমাণ করে যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছে না।”

Spread the love