Dhaka ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে কাউখালী হাসপাতাল, বাড়ছে উদ্বেগ সাতক্ষীরায় ‘গরীবের মেহমানখানা’ কর্মসূচিতে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ কালিগঞ্জে সেভেন আপের বোতলে রাখা ঘাসমারা ওষুধ পান করে ব্যবসায়ীর মৃত্যু সদর সার্কেল অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা বানারীপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ, ফ্যাক্ট চেকিং ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা রামপালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বানারীপাড়ায় ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ সাতক্ষীরায় প্রাক্তন নিবন্ধিত শিশু ও যুবদের নিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার রসুলপুরে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

পিরোজপুরে ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম হ”ত্যা তিন সপ্তাহে রহস্য উদঘাটন, মায়ের স্বীকারোক্তি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ৩৩৬ Time View

 

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের বাসিন্দা ও তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম (৩০) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রায় তিন সপ্তাহ পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত আব্দুল কাইয়ুম পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের জালাল হাওলাদারের ছেলে। গত ২৪ মে তিনি নিহত হন।

ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, আব্দুল কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার দিন মাদকাসক্ত কাইয়ুমের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কাইয়ুম দা দিয়ে তার মাকে আঘাত করার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে তার মা কুড়ালের পেছনের অংশ দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই কাইয়ুমের মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর কাইয়ুমের মাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, মামলার সূত্র ধরে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া সুমন মৃধার নামও আলোচনায় আসে। পুলিশ জানায়, সুমন মৃধা মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং নিহত কাইয়ুমের সঙ্গে তার একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে কাইয়ুম হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি কোনো স্বীকারোক্তি দেননি এবং এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে কাউখালী হাসপাতাল, বাড়ছে উদ্বেগ

পিরোজপুরে ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম হ”ত্যা তিন সপ্তাহে রহস্য উদঘাটন, মায়ের স্বীকারোক্তি

Update Time : ০৫:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

 

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের বাসিন্দা ও তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম (৩০) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রায় তিন সপ্তাহ পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত আব্দুল কাইয়ুম পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের জালাল হাওলাদারের ছেলে। গত ২৪ মে তিনি নিহত হন।

ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, আব্দুল কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার দিন মাদকাসক্ত কাইয়ুমের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কাইয়ুম দা দিয়ে তার মাকে আঘাত করার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে তার মা কুড়ালের পেছনের অংশ দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই কাইয়ুমের মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর কাইয়ুমের মাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, মামলার সূত্র ধরে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া সুমন মৃধার নামও আলোচনায় আসে। পুলিশ জানায়, সুমন মৃধা মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং নিহত কাইয়ুমের সঙ্গে তার একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে কাইয়ুম হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি কোনো স্বীকারোক্তি দেননি এবং এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Spread the love