Dhaka ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড পিরোজপুরে ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম হ”ত্যা তিন সপ্তাহে রহস্য উদঘাটন, মায়ের স্বীকারোক্তি সাতক্ষীরা টিআরএম বাস্তবায়নে তিন দিনব্যাপী যুব ক্যাম্পেইন শুরু সাতক্ষীরা কলারোয়ায় স্কাউটস’র নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিস থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে “সচিত্র বাংলাদেশ ও নবারুণ” বিতরণ সাতক্ষীরা খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে জামায়াতের প্রস্তুতি সভা ভান্ডারিয়ার বিভিন্ন স্পট পরিদর্শন ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন। সাতক্ষীরায় উদ্ধারকৃত চুরি হওয়া মোবাইল, ফোন,  বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর কাউখালীতে ব্র্যাকের উদ্যোগে কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তির ঘোষণা; আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর শুক্রবার

পিরোজপুরে ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম হ”ত্যা তিন সপ্তাহে রহস্য উদঘাটন, মায়ের স্বীকারোক্তি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ১১৬ Time View

 

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের বাসিন্দা ও তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম (৩০) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রায় তিন সপ্তাহ পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত আব্দুল কাইয়ুম পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের জালাল হাওলাদারের ছেলে। গত ২৪ মে তিনি নিহত হন।

ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, আব্দুল কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার দিন মাদকাসক্ত কাইয়ুমের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কাইয়ুম দা দিয়ে তার মাকে আঘাত করার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে তার মা কুড়ালের পেছনের অংশ দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই কাইয়ুমের মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর কাইয়ুমের মাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, মামলার সূত্র ধরে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া সুমন মৃধার নামও আলোচনায় আসে। পুলিশ জানায়, সুমন মৃধা মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং নিহত কাইয়ুমের সঙ্গে তার একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে কাইয়ুম হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি কোনো স্বীকারোক্তি দেননি এবং এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বানারীপাড়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে দুই মাদকসেবী আটক, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

পিরোজপুরে ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম হ”ত্যা তিন সপ্তাহে রহস্য উদঘাটন, মায়ের স্বীকারোক্তি

Update Time : ০৫:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

 

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

 

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের বাসিন্দা ও তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম (৩০) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার প্রায় তিন সপ্তাহ পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত আব্দুল কাইয়ুম পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের জালাল হাওলাদারের ছেলে। গত ২৪ মে তিনি নিহত হন।

ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, আব্দুল কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হলেও পরবর্তীতে তিনি আবার মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার দিন মাদকাসক্ত কাইয়ুমের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কাইয়ুম দা দিয়ে তার মাকে আঘাত করার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে তার মা কুড়ালের পেছনের অংশ দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই কাইয়ুমের মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর কাইয়ুমের মাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, মামলার সূত্র ধরে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া সুমন মৃধার নামও আলোচনায় আসে। পুলিশ জানায়, সুমন মৃধা মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং নিহত কাইয়ুমের সঙ্গে তার একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে কাইয়ুম হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি কোনো স্বীকারোক্তি দেননি এবং এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Spread the love