Dhaka ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা-কলারোয়া সীমান্তে প্রায় ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ তালায় খাঁচায় আটকে গুরুতর আহত বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার সাতক্ষীরায় সুপারির বাণিজ্যিক চাষ, বছরে বিক্রি ২২ কোটি টাকার সাতক্ষীরার ছয়ঘরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নারীর কাউখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’ এর উদ্বোধন সাতক্ষীরায় বায়তুল হামদ্ জামে মসজিদের ছাদ ঢালাইয়ের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’-এর যাত্রা শুরু সাতক্ষীরার মানুষের খাদেম হয়ে কাজ করতে চাই: এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সুন্দরবনে বনদস্যুদের আতঙ্কে জেলেরা, নির্মূলের দাবিতে কয়রায় মানববন্ধন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল-সাইদ, মিশিগানে জয়ী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী

কাউখালীতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিশুরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৫ Time View

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি।

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লার দোকানে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন, নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য। আকর্ষণীয় মোড়ক, বাহারি রং ও লোভনীয় বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে এসব খাবার কিনে খাচ্ছে শিশুরা। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে, বাজারে এসব পণ্যের অবাধ বিক্রি চললেও কার্যকর তদারকির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।


উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও গ্রামীণ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে বিস্কুট, চিপস, চানাচুর, চকলেট, কোমল পানীয়, বিভিন্ন রঙের জুস, দুধের নামে তৈরি কৃত্রিম পানীয়, আইসক্রিম, ক্রিম বিস্কুট, দই ও মিষ্টিসহ নানা ধরনের শিশুখাদ্য বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের কিছু প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ও প্রয়োজনীয় তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া কিছু পণ্যের মান ও অনুমোদন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্রেতারা।
অভিযোগ রয়েছে, অসাধু ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার নতুন মোড়কে বাজারজাত করছেন। আকর্ষণীয় প্যাকেট ও কম দামের কারণে শিশুরা এসব খাবারের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে বাজারে বিক্রি হওয়া সব পণ্যই অননুমোদিত বা ভেজাল কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা। উপজেলার হোগলা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আলামিন বলেন, বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। দেখার যেন কেউ নেই! নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খেয়ে আমাদের সন্তানেরা অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কর্মকার জানান, নিম্নমানের উপাদান, অনিরাপদ কৃত্রিম রং ও অতিরিক্ত রাসায়নিকযুক্ত খাবার শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ও দূষিত খাবার খেলে ডায়রিয়া, পেটব্যথা ও হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি এসব পণ্যের মান যাচাই ও বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা-কলারোয়া সীমান্তে প্রায় ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

কাউখালীতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিশুরা

Update Time : ০৪:০৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি।

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও পাড়া-মহল্লার দোকানে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন, নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য। আকর্ষণীয় মোড়ক, বাহারি রং ও লোভনীয় বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পড়ে এসব খাবার কিনে খাচ্ছে শিশুরা। এতে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে, বাজারে এসব পণ্যের অবাধ বিক্রি চললেও কার্যকর তদারকির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।


উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও গ্রামীণ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে বিস্কুট, চিপস, চানাচুর, চকলেট, কোমল পানীয়, বিভিন্ন রঙের জুস, দুধের নামে তৈরি কৃত্রিম পানীয়, আইসক্রিম, ক্রিম বিস্কুট, দই ও মিষ্টিসহ নানা ধরনের শিশুখাদ্য বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের কিছু প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ও প্রয়োজনীয় তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া কিছু পণ্যের মান ও অনুমোদন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্রেতারা।
অভিযোগ রয়েছে, অসাধু ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার নতুন মোড়কে বাজারজাত করছেন। আকর্ষণীয় প্যাকেট ও কম দামের কারণে শিশুরা এসব খাবারের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে বাজারে বিক্রি হওয়া সব পণ্যই অননুমোদিত বা ভেজাল কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা। উপজেলার হোগলা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আলামিন বলেন, বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। দেখার যেন কেউ নেই! নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খেয়ে আমাদের সন্তানেরা অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুব্রত কর্মকার জানান, নিম্নমানের উপাদান, অনিরাপদ কৃত্রিম রং ও অতিরিক্ত রাসায়নিকযুক্ত খাবার শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ ও দূষিত খাবার খেলে ডায়রিয়া, পেটব্যথা ও হজমজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি এসব পণ্যের মান যাচাই ও বাজার তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন।

Spread the love