Dhaka ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাউখালীতে শহীদ জিয়া স্মৃতি মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা-কলারোয়া সীমান্তে প্রায় ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ তালায় খাঁচায় আটকে গুরুতর আহত বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার সাতক্ষীরায় সুপারির বাণিজ্যিক চাষ, বছরে বিক্রি ২২ কোটি টাকার সাতক্ষীরার ছয়ঘরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নারীর কাউখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’ এর উদ্বোধন সাতক্ষীরায় বায়তুল হামদ্ জামে মসজিদের ছাদ ঢালাইয়ের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’-এর যাত্রা শুরু সাতক্ষীরার মানুষের খাদেম হয়ে কাজ করতে চাই: এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক সুন্দরবনে বনদস্যুদের আতঙ্কে জেলেরা, নির্মূলের দাবিতে কয়রায় মানববন্ধন

আশাশুনির মাখখ আশাশুনির মানিকখালি ব্রিজের সামনে মরণফাঁদ : দুর্ঘটনার শঙ্কা

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

আশাশুনি-বড়দল সড়কের মানিকখালি ব্রিজের সামনের অংশে আবারও বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যস্ততম এই সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সৃষ্টি হওয়া খানাখন্দের কারণে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক ও পথচারীরা।

আশাশুনি থেকে বড়দল যাওয়ার এই সড়কটি বর্তমানে দক্ষিণ খুলনার অন্যতম ব্যস্ত যোগাযোগ মাধ্যম। ঐতিহ্যবাহী বড়দল হাটে যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর, দেবহাটা হয়ে খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সসহ শতশত যানবাহন চলাচল করলেও সড়কের বেহাল দশায় থমকে গেছে স্বাভাবিক গতি।

সরেজমিনে দেখা যায়, সম্প্রতি হালকা বৃষ্টির ফলে ব্রিজের ঢালু দিয়ে গড়িয়ে পড়া পানিতে রাস্তার ধারের মাটি ধসে গেছে। এতে পিচ ও ইটের খোয়া উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় গর্ত। এর আগে একই স্থানে হওয়া গর্তটি মেরামত করা হলেও কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও সেখানে ধস নেমেছে। এছাড়া মানিকখালি ব্রিজ থেকে বড়দল ব্রিজ পর্যন্ত অন্তত তিনটি স্থানে সড়কের পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার ঝাকুনিতে সুস্থ মানুষের শরীর ব্যথা হয়ে যায়। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্সে করে আশঙ্কাজনক রোগী বহন করা এই পথে এখন রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া গোয়ালডাঙ্গা ও ফকরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের দুটি কালভার্টও বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ বলেন, “ওই স্থানে আগেও একবার গর্ত হয়েছিল, যা আমরা মেরামত করে দিয়েছিলাম। আবারও গর্ত হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। আগামীকালই লোক পাঠিয়ে এটি সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, কেবল জোড়াতালি দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ব্যস্ততম এই সড়কটি দ্রুত টেকসইভাবে সংস্কার করতে তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশারসহ জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউখালীতে শহীদ জিয়া স্মৃতি মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

আশাশুনির মাখখ আশাশুনির মানিকখালি ব্রিজের সামনে মরণফাঁদ : দুর্ঘটনার শঙ্কা

Update Time : ০২:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

আশাশুনি-বড়দল সড়কের মানিকখালি ব্রিজের সামনের অংশে আবারও বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যস্ততম এই সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সৃষ্টি হওয়া খানাখন্দের কারণে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক ও পথচারীরা।

আশাশুনি থেকে বড়দল যাওয়ার এই সড়কটি বর্তমানে দক্ষিণ খুলনার অন্যতম ব্যস্ত যোগাযোগ মাধ্যম। ঐতিহ্যবাহী বড়দল হাটে যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর, দেবহাটা হয়ে খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সসহ শতশত যানবাহন চলাচল করলেও সড়কের বেহাল দশায় থমকে গেছে স্বাভাবিক গতি।

সরেজমিনে দেখা যায়, সম্প্রতি হালকা বৃষ্টির ফলে ব্রিজের ঢালু দিয়ে গড়িয়ে পড়া পানিতে রাস্তার ধারের মাটি ধসে গেছে। এতে পিচ ও ইটের খোয়া উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় গর্ত। এর আগে একই স্থানে হওয়া গর্তটি মেরামত করা হলেও কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও সেখানে ধস নেমেছে। এছাড়া মানিকখালি ব্রিজ থেকে বড়দল ব্রিজ পর্যন্ত অন্তত তিনটি স্থানে সড়কের পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার ঝাকুনিতে সুস্থ মানুষের শরীর ব্যথা হয়ে যায়। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্সে করে আশঙ্কাজনক রোগী বহন করা এই পথে এখন রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া গোয়ালডাঙ্গা ও ফকরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের দুটি কালভার্টও বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ বলেন, “ওই স্থানে আগেও একবার গর্ত হয়েছিল, যা আমরা মেরামত করে দিয়েছিলাম। আবারও গর্ত হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। আগামীকালই লোক পাঠিয়ে এটি সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, কেবল জোড়াতালি দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ব্যস্ততম এই সড়কটি দ্রুত টেকসইভাবে সংস্কার করতে তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশারসহ জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Spread the love