Dhaka ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে কাউখালী হাসপাতাল, বাড়ছে উদ্বেগ সাতক্ষীরায় ‘গরীবের মেহমানখানা’ কর্মসূচিতে অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ কালিগঞ্জে সেভেন আপের বোতলে রাখা ঘাসমারা ওষুধ পান করে ব্যবসায়ীর মৃত্যু সদর সার্কেল অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার কাউখালীতে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা বানারীপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ, ফ্যাক্ট চেকিং ও গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা রামপালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বানারীপাড়ায় ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ সাতক্ষীরায় প্রাক্তন নিবন্ধিত শিশু ও যুবদের নিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার রসুলপুরে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

আশাশুনির মাখখ আশাশুনির মানিকখালি ব্রিজের সামনে মরণফাঁদ : দুর্ঘটনার শঙ্কা

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

আশাশুনি-বড়দল সড়কের মানিকখালি ব্রিজের সামনের অংশে আবারও বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যস্ততম এই সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সৃষ্টি হওয়া খানাখন্দের কারণে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক ও পথচারীরা।

আশাশুনি থেকে বড়দল যাওয়ার এই সড়কটি বর্তমানে দক্ষিণ খুলনার অন্যতম ব্যস্ত যোগাযোগ মাধ্যম। ঐতিহ্যবাহী বড়দল হাটে যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর, দেবহাটা হয়ে খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সসহ শতশত যানবাহন চলাচল করলেও সড়কের বেহাল দশায় থমকে গেছে স্বাভাবিক গতি।

সরেজমিনে দেখা যায়, সম্প্রতি হালকা বৃষ্টির ফলে ব্রিজের ঢালু দিয়ে গড়িয়ে পড়া পানিতে রাস্তার ধারের মাটি ধসে গেছে। এতে পিচ ও ইটের খোয়া উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় গর্ত। এর আগে একই স্থানে হওয়া গর্তটি মেরামত করা হলেও কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও সেখানে ধস নেমেছে। এছাড়া মানিকখালি ব্রিজ থেকে বড়দল ব্রিজ পর্যন্ত অন্তত তিনটি স্থানে সড়কের পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার ঝাকুনিতে সুস্থ মানুষের শরীর ব্যথা হয়ে যায়। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্সে করে আশঙ্কাজনক রোগী বহন করা এই পথে এখন রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া গোয়ালডাঙ্গা ও ফকরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের দুটি কালভার্টও বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ বলেন, “ওই স্থানে আগেও একবার গর্ত হয়েছিল, যা আমরা মেরামত করে দিয়েছিলাম। আবারও গর্ত হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। আগামীকালই লোক পাঠিয়ে এটি সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, কেবল জোড়াতালি দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ব্যস্ততম এই সড়কটি দ্রুত টেকসইভাবে সংস্কার করতে তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশারসহ জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু রোগীতে উপচে পড়ছে কাউখালী হাসপাতাল, বাড়ছে উদ্বেগ

আশাশুনির মাখখ আশাশুনির মানিকখালি ব্রিজের সামনে মরণফাঁদ : দুর্ঘটনার শঙ্কা

Update Time : ০২:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;

আশাশুনি-বড়দল সড়কের মানিকখালি ব্রিজের সামনের অংশে আবারও বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যস্ততম এই সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সৃষ্টি হওয়া খানাখন্দের কারণে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক ও পথচারীরা।

আশাশুনি থেকে বড়দল যাওয়ার এই সড়কটি বর্তমানে দক্ষিণ খুলনার অন্যতম ব্যস্ত যোগাযোগ মাধ্যম। ঐতিহ্যবাহী বড়দল হাটে যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর, দেবহাটা হয়ে খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সসহ শতশত যানবাহন চলাচল করলেও সড়কের বেহাল দশায় থমকে গেছে স্বাভাবিক গতি।

সরেজমিনে দেখা যায়, সম্প্রতি হালকা বৃষ্টির ফলে ব্রিজের ঢালু দিয়ে গড়িয়ে পড়া পানিতে রাস্তার ধারের মাটি ধসে গেছে। এতে পিচ ও ইটের খোয়া উঠে সৃষ্টি হয়েছে বড় গর্ত। এর আগে একই স্থানে হওয়া গর্তটি মেরামত করা হলেও কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও সেখানে ধস নেমেছে। এছাড়া মানিকখালি ব্রিজ থেকে বড়দল ব্রিজ পর্যন্ত অন্তত তিনটি স্থানে সড়কের পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার ঝাকুনিতে সুস্থ মানুষের শরীর ব্যথা হয়ে যায়। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্সে করে আশঙ্কাজনক রোগী বহন করা এই পথে এখন রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া গোয়ালডাঙ্গা ও ফকরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের দুটি কালভার্টও বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ বলেন, “ওই স্থানে আগেও একবার গর্ত হয়েছিল, যা আমরা মেরামত করে দিয়েছিলাম। আবারও গর্ত হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। আগামীকালই লোক পাঠিয়ে এটি সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।”

তবে স্থানীয়রা বলছেন, কেবল জোড়াতালি দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ব্যস্ততম এই সড়কটি দ্রুত টেকসইভাবে সংস্কার করতে তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশারসহ জেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Spread the love