সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় মাসব্যাপী দাওয়াতি কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নিউ মার্কেটের বিভিন্ন অলিগলি, চায়ের দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে পথচারী, রিকশাচালকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন দলটির নেতাকর্মীরা।
দাওয়াতি কর্মসূচিতে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, স্থানীয় ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল গফুরসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
কর্মসূচি চলাকালে জামায়াতের নেতাকর্মীদের হাতে সংগঠনের পরিচিতিপত্র ও সহযোগী সদস্য ফরম দেখা যায়। তারা পথচারী, ব্যবসায়ী, চায়ের দোকানে অবস্থানরত ব্যক্তি ও রিকশাচালকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ ও কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় আগ্রহী ব্যক্তিদের সংগঠনের সহযোগী সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
রিকশাচালক আব্দুর রহিম বলেন, “আমাদের সঙ্গে কথা বলে তারা ইসলামের কথা বলেছেন এবং সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।”
দাওয়াতি কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, বাংলাদেশকে সুন্দর, সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে কোরআন ও ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠনে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। এর মাধ্যমে সমাজে শুদ্ধতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এ দেশে একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।”
জামায়াত নেতাদের ভাষ্য, কর্মসূচির মূল লক্ষ্য মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া এবং নৈতিক ও আদর্শভিত্তিক সমাজ গঠনে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মাঠপর্যায়ে এ ধরনের ধারাবাহিক কর্মসূচি দলটির সাংগঠনিক তৎপরতা ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখতে পারে।
নিউ মার্কেট এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টার কর্মসূচিতে জামায়াতের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি দেখা যায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের মধ্য দিয়ে বুধবারের দাওয়াতি অভিযান শেষ হয়।
Reporter Name 










