Dhaka ১০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় জমি দখলের অভিযোগ, বিরোধপূর্ণ স্থানে মসজিদের সাইনবোর্ড  হামি ডি ডাব্লিউ এর নার্সিং ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং এর প্রথম ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার বাঁকাল শেখপাড়া জামে মসজিদে ইসলামী কুইজ প্রতিযোগিতা ও সিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত প্রেসক্লাব যশোরের নবনির্বাচিত কমিটিকে তালা প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা সাতক্ষীরায় ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখকদের সমাবেশ সাতক্ষীরায় আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগ, সম্পত্তি বিরোধে গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরায় সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উদযাপন, সাহিত্য ও সংগ্রামী চেতনা নিয়ে আলোচনা সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরপাড়ে অনুষ্ঠিত হলো মনসা পূজা কাউখালীতে মহিলা পরিষদের বিতর্ক প্রতিযোগিতা, চ্যাম্পিয়ন কেজি ইউনিয়ন বালক উচ্চ বিদ্যালয় সাতক্ষীরা বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরপাড়ে অনুষ্ঠিত হলো মনসা পূজা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ Time View

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:


সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরপাড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব মনসা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) শহরের পলাশপোল এলাকার গুড়পুকুর মনসাতলায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল থেকেই পূজামণ্ডপে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও পূজার্চনা শেষে ভক্তরা দেবী মনসার উদ্দেশে ফুল, ফল ও নানা উপাচার নিবেদন করেন। এ সময় পরিবার, সমাজ ও দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

পূজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পলাশপোল গুড়পুকুর মনসাতলা পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক গৌর দত্ত, সদস্য সচিব তপন হালদার, পলাশপোল মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার বসু, পুরোহিত পরিতোষ চক্রবর্তী ও তাপস চক্রবর্তীসহ স্থানীয় সনাতন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

স্থানীয়দের মতে, মনসা পূজাকে কেন্দ্র করেই একসময় সাতক্ষীরায় মাসব্যাপী ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলার আয়োজন হতো। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা এ মেলায় অংশ নিতেন। নানা পণ্যের বিপণনের পাশাপাশি মেলাটি ছিল মানুষের মিলনমেলা ও বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র।

তবে ২০০২ সালের বোমা হামলার ঘটনার পর দীর্ঘদিন ধরে মেলার আয়োজন বন্ধ হয়ে যায়। পরে সীমিত পরিসরে কিছু কার্যক্রম শুরু হলেও অতীতের সেই জৌলুস আর ফিরে আসেনি। গত বছর মনসা পূজা অনুষ্ঠিত হলেও মেলা বসেনি। এবারও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে পালিত হলেও ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলার আয়োজন হয়নি।

তারপরও শতবর্ষের ঐতিহ্য বহনকারী এ পূজাকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই মনে করেন, গুড়পুকুর মেলার হারানো ঐতিহ্য ও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগ।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বানারীপাড়ায় জমি দখলের অভিযোগ, বিরোধপূর্ণ স্থানে মসজিদের সাইনবোর্ড 

সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরপাড়ে অনুষ্ঠিত হলো মনসা পূজা

Update Time : ০১:১২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:


সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরপাড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব মনসা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) শহরের পলাশপোল এলাকার গুড়পুকুর মনসাতলায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল থেকেই পূজামণ্ডপে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও পূজার্চনা শেষে ভক্তরা দেবী মনসার উদ্দেশে ফুল, ফল ও নানা উপাচার নিবেদন করেন। এ সময় পরিবার, সমাজ ও দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

পূজা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পলাশপোল গুড়পুকুর মনসাতলা পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক গৌর দত্ত, সদস্য সচিব তপন হালদার, পলাশপোল মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার বসু, পুরোহিত পরিতোষ চক্রবর্তী ও তাপস চক্রবর্তীসহ স্থানীয় সনাতন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

স্থানীয়দের মতে, মনসা পূজাকে কেন্দ্র করেই একসময় সাতক্ষীরায় মাসব্যাপী ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলার আয়োজন হতো। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা এ মেলায় অংশ নিতেন। নানা পণ্যের বিপণনের পাশাপাশি মেলাটি ছিল মানুষের মিলনমেলা ও বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র।

তবে ২০০২ সালের বোমা হামলার ঘটনার পর দীর্ঘদিন ধরে মেলার আয়োজন বন্ধ হয়ে যায়। পরে সীমিত পরিসরে কিছু কার্যক্রম শুরু হলেও অতীতের সেই জৌলুস আর ফিরে আসেনি। গত বছর মনসা পূজা অনুষ্ঠিত হলেও মেলা বসেনি। এবারও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে পালিত হলেও ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলার আয়োজন হয়নি।

তারপরও শতবর্ষের ঐতিহ্য বহনকারী এ পূজাকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই মনে করেন, গুড়পুকুর মেলার হারানো ঐতিহ্য ও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগ।

Spread the love