Dhaka ১০:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সমাধান হওয়া ঘটনাকে ইস্যু করে মানববন্ধন, ‘অপপ্রচার বন্ধের’ দাবি প্রবীণ শিক্ষকদের ভূরুঙ্গামারীতে ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি পালিত হয়েছে কাউখালীতে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, দুর্ভোগে শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীরা কাউখালীতে দুই মাসেও উদঘাটন হয়নি উপজেলা ভূমি অফিসে চুরি/ দ্রুত রহস্য উদঘাটনের আশ্বাস প্রশাসনের নেছারাবাদে আইডিয়াল ইনস্টিটিউটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ফল উৎসব’ ভাণ্ডারিয়ায় হানিফ পরিবহনের ধাক্কায় প্রাণ গেল অটোরিকশা চালকের,আহত দম্পতি স্ত্রীর অজান্তে নবজাতক কন্যাকে বিক্রি, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার; বাবাসহ আটক ৮ চকরিয়ায় হাতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে উঠান বৈঠক রাজবাড়ীতে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার পাথরঘাটায় অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দৌরাত্ম্য, প্রতারণার শিকার রোগীরা

সমাধান হওয়া ঘটনাকে ইস্যু করে মানববন্ধন, ‘অপপ্রচার বন্ধের’ দাবি প্রবীণ শিক্ষকদের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ১০৭ Time View

 

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

 

পিরোজপুরের নেছারাবাদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্তের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের ঘোষণাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই প্রবীণ শিক্ষক মো. ফজলুল হক ও মো. শাহ আলম বাহাদুর ওই কর্মসূচির বিরোধিতা করে এটিকে একটি সামান্য ভুল বোঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অতিরঞ্জিত করার চেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি স্বরূপকাঠি হোমিওপ্যাথিক কলেজের মাসিক সভায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. শাহ আলম বাহাদুর ও মো. ফজলুল হকের সঙ্গে ইউএনও অমিত দত্তের একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে সাময়িক ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। পরে আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষ বিষয়টির নিষ্পত্তি করেন।

কিন্তু সমাধান হয়ে যাওয়া সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে ইউএনও’র বিরুদ্ধে মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষক।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. শাহ আলম বাহাদুর বলেন, ইউএনও’র সঙ্গে তাদের কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ নেই। সভায় সৃষ্ট সামান্য ভুল বোঝাবুঝির বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিটে গেছে। কিন্তু একটি মহল অসৎ উদ্দেশ্যে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “ফেসবুকে দেখে জানতে পারি, ইউএনও অমিত দত্ত নাকি আমার ও ফজলুল হক স্যারের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন এবং তাঁর অপসারণ দাবিতে মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি দেখে আমি হতবাক হয়েছি।” তিনি এ ধরনের অপপ্রচার ও ঘোষিত কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. ফজলুল হক বলেন, “যে বিষয়টি আমরা নিজেরাই সমাধান করেছি, সেটিকে ইস্যু বানিয়ে মানববন্ধনের আয়োজন করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এতে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে এবং প্রশাসন ও শিক্ষকদের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।” তিনি ঘোষিত কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, “হোমিওপ্যাথিক কলেজের একটি সভায় শাহ আলম স্যার আমার পাশের চেয়ারে বসেছিলেন। তিনি সামনের সারিতে বসা এক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে ডাকছিলেন। সভা শেষ হওয়ার পর জানতে পারি, বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে স্যারদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিষয়টি শুনে আমিও বিস্মিত হয়েছি।”

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চললেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা বিষয়টি আর না বাড়িয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এবং ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সমাধান হওয়া ঘটনাকে ইস্যু করে মানববন্ধন, ‘অপপ্রচার বন্ধের’ দাবি প্রবীণ শিক্ষকদের

সমাধান হওয়া ঘটনাকে ইস্যু করে মানববন্ধন, ‘অপপ্রচার বন্ধের’ দাবি প্রবীণ শিক্ষকদের

Update Time : ০১:১৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

 

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

 

পিরোজপুরের নেছারাবাদে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্তের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের ঘোষণাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই প্রবীণ শিক্ষক মো. ফজলুল হক ও মো. শাহ আলম বাহাদুর ওই কর্মসূচির বিরোধিতা করে এটিকে একটি সামান্য ভুল বোঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অতিরঞ্জিত করার চেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি স্বরূপকাঠি হোমিওপ্যাথিক কলেজের মাসিক সভায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. শাহ আলম বাহাদুর ও মো. ফজলুল হকের সঙ্গে ইউএনও অমিত দত্তের একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে সাময়িক ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। পরে আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষ বিষয়টির নিষ্পত্তি করেন।

কিন্তু সমাধান হয়ে যাওয়া সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট দিয়ে ইউএনও’র বিরুদ্ধে মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষক।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. শাহ আলম বাহাদুর বলেন, ইউএনও’র সঙ্গে তাদের কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ নেই। সভায় সৃষ্ট সামান্য ভুল বোঝাবুঝির বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মিটে গেছে। কিন্তু একটি মহল অসৎ উদ্দেশ্যে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “ফেসবুকে দেখে জানতে পারি, ইউএনও অমিত দত্ত নাকি আমার ও ফজলুল হক স্যারের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন এবং তাঁর অপসারণ দাবিতে মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি দেখে আমি হতবাক হয়েছি।” তিনি এ ধরনের অপপ্রচার ও ঘোষিত কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. ফজলুল হক বলেন, “যে বিষয়টি আমরা নিজেরাই সমাধান করেছি, সেটিকে ইস্যু বানিয়ে মানববন্ধনের আয়োজন করার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এতে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে এবং প্রশাসন ও শিক্ষকদের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।” তিনি ঘোষিত কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, “হোমিওপ্যাথিক কলেজের একটি সভায় শাহ আলম স্যার আমার পাশের চেয়ারে বসেছিলেন। তিনি সামনের সারিতে বসা এক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে ডাকছিলেন। সভা শেষ হওয়ার পর জানতে পারি, বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে স্যারদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিষয়টি শুনে আমিও বিস্মিত হয়েছি।”

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চললেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা বিষয়টি আর না বাড়িয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এবং ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

Spread the love