Dhaka ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাপাহারে সরকারি রাস্তা দখল করে আড়ৎ নির্মাণ, গ্রামবাসীর লিখিত অভিযোগ। চকরিয়ায় সহোদর ভাইয়ের বিরুদ্ধে বসতঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সাতক্ষীরায় ডিবি ইউনাইটেড হাই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান বাকেরগঞ্জে অসহায় ভ্যান চালকের জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ ভাণ্ডারিয়ায় বায়নের খাল কচুরিপানার দখলে ৪০ হাজার পরিবার নিত্য ব্যবহার্য পানি সংকটে বাড়ছে রোগব্যাধি কাউখালীতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি ভান্ডারিয়ায় খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সাতক্ষীরা যানজটে অ’চ’ল রোদে পুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা সাতক্ষীরা নববর্ষে সাতদিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

নেছারাবাদে ১৬৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুরু, প্রথমদিনেই ডিমের ওজনে গরমিলের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৯১ Time View

 

প্রতিনিধি, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
নেছারাবাদ উপজেলায় ১৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে বিনামূল্যে দুপুরের খাবার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে “গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা” নামে একটি বেসরকারি এনজিও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
উপজেলার প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত মেন্যুতে শিক্ষার্থী প্রতি ৬০ গ্রাম ডিম ও ১২০ গ্রাম রুটি দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা ডিমের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ডিমের ওজন নির্ধারিত ৬০ গ্রামের কম হওয়ায় গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।রোববার দুপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার জসিম আহমদ আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পুষ্টির ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে দেশের ১৫১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেছারাবাদ উপজেলাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কর্মসূচির অধীনে সপ্তাহে পাঁচ দিন শিক্ষার্থীদের দুধ, ডিম, রুটি, বিস্কুট ও কলা সরবরাহ করা হবে।
রোববার সরেজমিনে স্বরূপকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা ডিমের একটি অংশ তুলনামূলক ছোট এবং সেগুলোর ওজন নির্ধারিত মানের চেয়ে কম।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সীমা রানি হালদার জানান, “আমাদের বিদ্যালয়ের ৬১৯ জন শিক্ষার্থীর জন্য আগের দিন কাঁচা ডিম ও প্যাকেটজাত বনরুটি সরবরাহ করা হয়েছে। ডিম সিদ্ধ করার জন্য প্রতিটি ডিমের বিপরীতে এক টাকা করে দেওয়া হয়েছে।”
সহকারী শিক্ষক সুজন সমদ্দার বলেন, “সরবরাহ করা ডিমের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ছোট, যেগুলোর ওজন ৬০ গ্রামের নিচে।”
এ বিষয়ে গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার ডেপুটি ডিরেক্টর অ্যাডভোকেট গোপাল চন্দ্র শীল বলেন, “এটি একটি বৃহৎ প্রকল্প। ১৬৯টি বিদ্যালয়ে একযোগে কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে প্রাথমিকভাবে কিছু ত্রুটি থাকতে পারে। তবে ভবিষ্যতে খাবারের মান ও নির্ধারিত ওজন শতভাগ নিশ্চিত করা হবে। এখানে কোনো গাফিলতির সুযোগ নেই।”
Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাপাহারে সরকারি রাস্তা দখল করে আড়ৎ নির্মাণ, গ্রামবাসীর লিখিত অভিযোগ।

নেছারাবাদে ১৬৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুরু, প্রথমদিনেই ডিমের ওজনে গরমিলের অভিযোগ

Update Time : ১২:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

প্রতিনিধি, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
নেছারাবাদ উপজেলায় ১৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে বিনামূল্যে দুপুরের খাবার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে “গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থা” নামে একটি বেসরকারি এনজিও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
উপজেলার প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত মেন্যুতে শিক্ষার্থী প্রতি ৬০ গ্রাম ডিম ও ১২০ গ্রাম রুটি দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা ডিমের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ডিমের ওজন নির্ধারিত ৬০ গ্রামের কম হওয়ায় গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।রোববার দুপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার জসিম আহমদ আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পুষ্টির ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে দেশের ১৫১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এর আওতায় নেছারাবাদ উপজেলাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কর্মসূচির অধীনে সপ্তাহে পাঁচ দিন শিক্ষার্থীদের দুধ, ডিম, রুটি, বিস্কুট ও কলা সরবরাহ করা হবে।
রোববার সরেজমিনে স্বরূপকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা ডিমের একটি অংশ তুলনামূলক ছোট এবং সেগুলোর ওজন নির্ধারিত মানের চেয়ে কম।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সীমা রানি হালদার জানান, “আমাদের বিদ্যালয়ের ৬১৯ জন শিক্ষার্থীর জন্য আগের দিন কাঁচা ডিম ও প্যাকেটজাত বনরুটি সরবরাহ করা হয়েছে। ডিম সিদ্ধ করার জন্য প্রতিটি ডিমের বিপরীতে এক টাকা করে দেওয়া হয়েছে।”
সহকারী শিক্ষক সুজন সমদ্দার বলেন, “সরবরাহ করা ডিমের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ছোট, যেগুলোর ওজন ৬০ গ্রামের নিচে।”
এ বিষয়ে গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার ডেপুটি ডিরেক্টর অ্যাডভোকেট গোপাল চন্দ্র শীল বলেন, “এটি একটি বৃহৎ প্রকল্প। ১৬৯টি বিদ্যালয়ে একযোগে কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে প্রাথমিকভাবে কিছু ত্রুটি থাকতে পারে। তবে ভবিষ্যতে খাবারের মান ও নির্ধারিত ওজন শতভাগ নিশ্চিত করা হবে। এখানে কোনো গাফিলতির সুযোগ নেই।”
Spread the love