
প্রতিনিধি,নেছারাবাদ।।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে কৃষকদের জন্য সরকারি সার ও কীটনাশক অনুদানের তালিকা তৈরিকে কেন্দ্র করে জামায়াত সভাপতি কাওসার হাওলাদারের হামলায় ৬নং দৈহারি ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য সচিব লাবলু হাওলাদার গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্ত্রী সুমি বেগম (৩১) জামায়াত নেতা সহ কাওসার হাওলাদার, নান্নু হাওলাদার, আনজিরা আক্তার বেবী ও আল আমিন হাওলাদার সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে অভিযুক্ত করে নেছারাবাদ থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানাগেছে, ৭ই মার্চ দুপুর ১টার সময় ৬ নম্বর দৈহারী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঐ ঘটনা ঘটে। কাটা দৈহারী এলাকার আব্দুল খালেক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে বেল্লাল মৃধার চায়ের দোকানে বসে লাবলু হাওলাদার কৃষকদের জন্য সরকারি সার ও কীটনাশক অনুদানের তালিকা প্রস্তুত করছিলেন।
এ সময় অভিযুক্ত জামায়াত নেতা কাওসার হাওলাদারের নাম তালিকার শেষের দিকে থাকায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে লাবলু হাওলাদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এতে বাধা দিলে কাওসার হাওলাদারসহ অন্যান্য অভিযুক্তরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, হামলার একপর্যায়ে কাওসার হাওলাদার হাতে থাকা কীটনাশকের কাচের বোতল ভেঙে লাবলু হাওলাদারের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথার মাঝ বরাবর গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। পরে আবারও মাথার ডান ও বাম পাশে কাচের বোতল দিয়ে আঘাত করা হয়।
লাবলু হাওলাদারের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে অভিযুক্তরা তাদের খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত লাবলু হাওলাদারকে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে জামায়াত নেতা কাওসার হাওলাদার বলেন, আমি একা ছিলাম সার কীটনাশক বিতরণ লিস্ট তৈরির সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমাকে ওরা পাচজনে মিলে বেধড়ক মারধর করে আমি পিরোজপুর হাসপাতালে ভর্তি আছি।আমি নিজেক বাঁচাতে গিয়ে লাবলুকে ধাক্কাদিলে দোকানের জাপের উপর পড়ে গিয়ে হয়তো মাথা কেটে গেছে।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি মেহেদী হাসান জানায়, ঐ মারামারি ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Reporter Name 























