
প্রতিনিধি,নেছারাবাদ ;
নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর কুড়িয়ানা ও স্বরূপকাঠি সদর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী একটি খাল ভরাট করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে তানভীর মহরি নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সরকার যখন জলাবদ্ধতা নিরসন ও নৌপথ সচল রাখতে খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে, ঠিক সেই সময় এমন ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলায় আটঘর কুড়িয়ানার ৮নং ওয়ার্ড এবং স্বরূপকাঠি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে খালের অংশ দখল করে সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য সেফটি পাইলিং ও গাইড ওয়াল নির্মাণের কাজ চলছে। স্থানীয়দের দাবি, একসময় এই খাল দিয়ে বড় বড় নৌকা চলাচল করলেও এখন পানি প্রবাহই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এলাকার প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, খালটি দীর্ঘদিন ধরে দখল ও ভরাটের কারণে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। খোকন তালুকদার বলেন, “শৈশবে এই খালে নৌকা চলাচল করতে দেখেছি। এখন খালটি প্রায় মৃতপ্রায়। আমরা চাই এটি খনন করে দখলমুক্ত করা হোক।”
স্থানীয় বাসিন্দা আসাদ বলেন, খালের দুই পাড়ের অনেকেই দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। আমার পাকের ঘরও খালের মধ্যে পড়েছে। তানভীর এর পক্ষ নিয়ে বলেন, সে আরো খালের ভিতর যায়গা পাবে৷ তার জমি টেকসই করার জন্য পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে তানভীর মহরি বলেন, তিনি নিজের ক্রয়কৃত জমিতেই ভবন নির্মাণ করছেন। তার দাবি, খাল খননের জন্য তিনি জেলা প্রশাসকের কাছেও লিখিত আবেদন করেছেন এবং পূর্বেও ভূমি অফিসে আবেদন করেছিলেন।
এ বিষয়ে স্বরূপকাঠি সদর ইউনিয়নের তহসিলদার বরুণ কর জানান, যেখানে পাইলিং করা হচ্ছিল, সেটি খালের অংশ হিসেবেই চিহ্নিত। তাই তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, খালটি দুই ইউনিয়নের নকশাভুক্ত হওয়ায় এটি উদ্ধারের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে খাল দখলমুক্ত করে দ্রুত পুনঃখননের দাবি জোরালো হচ্ছে ।
Reporter Name 






















