Dhaka ০৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরা যানজটে অ’চ’ল রোদে পুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা সাতক্ষীরা নববর্ষে সাতদিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বাকেরগঞ্জে রঙ্গশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ ও গাছ কেটে ছাপা দীর্ঘ ১৬ বছর পর শুরু হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ‘কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে’: প্রধানমন্ত্রী শ্রমিক দল সভাপতির বিরুদ্ধে চাঁ/দাবা/জি ও হাম/লার অভিযোগ, পল্লী চিকিৎসক হাসপাতালে সাপাহারে আল-হেলাল ইসলামী একাডেমীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল আশাশুনির মাখখ আশাশুনির মানিকখালি ব্রিজের সামনে মরণফাঁদ : দুর্ঘটনার শঙ্কা সাপাহারে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ, কেরোসিন ঢেলে মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট সাতক্ষীরায় প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ঈদে নেছারাবাদে ভ্রমণপিপাসুদের ঢল, জমে উঠেছে দর্শনীয় স্থান গুলো, স্থানীয়দের একটি আধুনিক পার্ক নির্মানের দাবি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • ১২৬ Time View

নেছারাবাদ,প্রতিনিধি;

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে নেছারাবাদ উপজেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল নেমেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দমুখর সময় কাটাতে উপজেলার জনপ্রিয় স্পটগুলোতে ভিড় করছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। ঈদের প্রথম দিন থেকেই এসব স্থানে দেখা গেছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

উপজেলার অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান সন্ধ্যা নদীর ফেরিঘাট এলাকা। নদীর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়জুড়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও হানি খাবারের দোকান দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। নদীর পশ্চিম তীরে তীররক্ষা বাঁধের জন্য স্থাপিত ব্লকগুলো স্বাভাবিকভাবেই বাড়িয়ে দিয়েছে নদীর পাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ফলে প্রতিদিনই এখানে ভিড় করছেন হাজারো দর্শনার্থী। ঈদের প্রথম দিনেও সন্ধ্যা নদীর তীর ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।

এছাড়াও ছারছিনা দরবার শরীফ থেকে অলংকারকাঠি ব্রিজ পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা নার্সারিগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে। সবুজে ঘেরা এসব নার্সারির নয়নাভিরাম দৃশ্য যে কাউকেই মুগ্ধ করে।সেখানে সরকারি উদ্যোগে নির্মিত রেস্ট হাউজও দর্শনার্থীদের জন্য বাড়তি সুবিধা যোগ করেছে।

নেছারাবাদের অন্যান্য জনপ্রিয় ভ্রমণস্থানের মধ্যে রয়েছে নান্দুহার পার্ক, আটঘর-কুড়িয়ানা পিকনিক স্পট এবং ভাসমান নৌকার হাট। যদিও বর্তমানে অফ-সিজন হওয়ায় আটঘর-কুড়িয়ানা এলাকায় দর্শনার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম, তবে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পেয়ারা মৌসুমে ভীমরুলি এলাকার ভাসমান বাজার ও পিকনিক স্পট জমে ওঠে প্রাণচাঞ্চল্যে।

ঈদের ছুটির এই কয়েকদিনে উপজেলার প্রায় সব দর্শনীয় স্থানগুলো পরিণত হয়েছে মিলনমেলায়। নদীর তীরবর্তী এলাকা, নার্সারি ও রেস্টুরেন্টগুলোতে দেখা গেছে মানুষের উপচেপড়া ভিড়। দর্শনার্থীরা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটিয়ে দারুণ আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

তবে অনেক দর্শনার্থীরই দাবি, সন্ধ্যা নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে সরকারি উদ্যোগে আধুনিক পার্ক গড়ে তোলা হলে এটি আরও আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। এ বিষয়ে তারা স্থানীয় প্রশাসনসহ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা যানজটে অ’চ’ল রোদে পুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা

ঈদে নেছারাবাদে ভ্রমণপিপাসুদের ঢল, জমে উঠেছে দর্শনীয় স্থান গুলো, স্থানীয়দের একটি আধুনিক পার্ক নির্মানের দাবি

Update Time : ০৬:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

নেছারাবাদ,প্রতিনিধি;

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে নেছারাবাদ উপজেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল নেমেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দমুখর সময় কাটাতে উপজেলার জনপ্রিয় স্পটগুলোতে ভিড় করছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। ঈদের প্রথম দিন থেকেই এসব স্থানে দেখা গেছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

উপজেলার অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান সন্ধ্যা নদীর ফেরিঘাট এলাকা। নদীর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়জুড়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও হানি খাবারের দোকান দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। নদীর পশ্চিম তীরে তীররক্ষা বাঁধের জন্য স্থাপিত ব্লকগুলো স্বাভাবিকভাবেই বাড়িয়ে দিয়েছে নদীর পাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ফলে প্রতিদিনই এখানে ভিড় করছেন হাজারো দর্শনার্থী। ঈদের প্রথম দিনেও সন্ধ্যা নদীর তীর ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।

এছাড়াও ছারছিনা দরবার শরীফ থেকে অলংকারকাঠি ব্রিজ পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা নার্সারিগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে। সবুজে ঘেরা এসব নার্সারির নয়নাভিরাম দৃশ্য যে কাউকেই মুগ্ধ করে।সেখানে সরকারি উদ্যোগে নির্মিত রেস্ট হাউজও দর্শনার্থীদের জন্য বাড়তি সুবিধা যোগ করেছে।

নেছারাবাদের অন্যান্য জনপ্রিয় ভ্রমণস্থানের মধ্যে রয়েছে নান্দুহার পার্ক, আটঘর-কুড়িয়ানা পিকনিক স্পট এবং ভাসমান নৌকার হাট। যদিও বর্তমানে অফ-সিজন হওয়ায় আটঘর-কুড়িয়ানা এলাকায় দর্শনার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম, তবে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পেয়ারা মৌসুমে ভীমরুলি এলাকার ভাসমান বাজার ও পিকনিক স্পট জমে ওঠে প্রাণচাঞ্চল্যে।

ঈদের ছুটির এই কয়েকদিনে উপজেলার প্রায় সব দর্শনীয় স্থানগুলো পরিণত হয়েছে মিলনমেলায়। নদীর তীরবর্তী এলাকা, নার্সারি ও রেস্টুরেন্টগুলোতে দেখা গেছে মানুষের উপচেপড়া ভিড়। দর্শনার্থীরা পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটিয়ে দারুণ আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

তবে অনেক দর্শনার্থীরই দাবি, সন্ধ্যা নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোতে সরকারি উদ্যোগে আধুনিক পার্ক গড়ে তোলা হলে এটি আরও আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। এ বিষয়ে তারা স্থানীয় প্রশাসনসহ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

Spread the love