Dhaka ০২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ডি.বি. ইউনাইটেড হাইস্কুলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেককে সংবর্ধনা শ্যামনগরে চৌকিদার প্যারেড পরিদর্শনে পুলিশ সুপার, অপরাধ দমনে তৎপরতার নির্দেশ সাতক্ষীরায় বিজিবির মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠান, উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আর্থ জার্নালিজম নেটওয়ার্কের ফেলোশিপ পাওয়ায় আহসান রাজীবকে সাংবাদিক কেন্দ্রের অভিনন্দন কাউখালীতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু কাউখালীতে জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৮ সাতক্ষীরায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সভা সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির মতবিনিময় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

আমি সাংবাদিক না, পেটের দায়ে ভিডিও বানাই ”—ভাইরাল তাজুল ইসলামের আবেগঘন বক্তব্য

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ১৬০ Time View
সাউথ বেঙ্গল নিউজ ডেস্ক ;
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওকে ঘিরে আলোচনায় উঠে এসেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাজুল ইসলাম। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে ‘সাংবাদিক’ হিসেবে উপস্থাপন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, তিনি কোনো সাংবাদিক নন; জীবিকার তাগিদেই ভিডিও তৈরি করেন।
একটি ভিডিওতে তাজুল ইসলাম নিজের জীবনের কষ্টের কথা তুলে ধরে বলেন, “স্যার, আমি হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। আমাদের নিজের কোনো জমি নেই। ফুফাতো ভাইয়ের জমিতে একটি ভাঙাচোরা ঘরে বসবাস করছি। এটি ভেঙে গেলে মাথা গোঁজার ঠাঁই থাকবে না। আমি নির্মাণ শ্রমিকের হেল্পার হিসেবে কাজ করি। পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি।”
এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তার এই কান্না ও সরল স্বীকারোক্তি অনেকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। বাস্তবতার নির্মম চিত্র তুলে ধরা এই মানুষটি দেখিয়েছেন, দারিদ্র্য আর অসহায়ত্ব একজন মানুষকে কতটা ভেঙে দিতে পারে।
জানা যায়, কুড়িগ্রামের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম নিজের এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরেন। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এলাকার গরুগুলো নদী পার হয়ে দূরে গিয়ে ঘাস খায়—এখানে একটি সেতু নির্মাণ হলে মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে তিনি দাবি জানান। অন্য একটি ভিডিওতে তিনি পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে গ্রামের রাস্তাঘাটের দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরেন।
যদিও অনেকে তাকে নিয়ে হাসি-তামাশা করছেন, তবে সচেতন মহলের মতে, তাজুল ইসলাম একজন সাধারণ মানুষ হয়েও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সামনে আনছেন। তার উপস্থাপনা বা পোশাক হয়তো আকর্ষণীয় নয়, কিন্তু বাস্তবতা তুলে ধরার সাহস এবং এলাকার উন্নয়নের দাবি জানানোর প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

আমি সাংবাদিক না, পেটের দায়ে ভিডিও বানাই ”—ভাইরাল তাজুল ইসলামের আবেগঘন বক্তব্য

Update Time : ০৪:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
সাউথ বেঙ্গল নিউজ ডেস্ক ;
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওকে ঘিরে আলোচনায় উঠে এসেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাজুল ইসলাম। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে ‘সাংবাদিক’ হিসেবে উপস্থাপন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, তিনি কোনো সাংবাদিক নন; জীবিকার তাগিদেই ভিডিও তৈরি করেন।
একটি ভিডিওতে তাজুল ইসলাম নিজের জীবনের কষ্টের কথা তুলে ধরে বলেন, “স্যার, আমি হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। আমাদের নিজের কোনো জমি নেই। ফুফাতো ভাইয়ের জমিতে একটি ভাঙাচোরা ঘরে বসবাস করছি। এটি ভেঙে গেলে মাথা গোঁজার ঠাঁই থাকবে না। আমি নির্মাণ শ্রমিকের হেল্পার হিসেবে কাজ করি। পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি।”
এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তার এই কান্না ও সরল স্বীকারোক্তি অনেকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। বাস্তবতার নির্মম চিত্র তুলে ধরা এই মানুষটি দেখিয়েছেন, দারিদ্র্য আর অসহায়ত্ব একজন মানুষকে কতটা ভেঙে দিতে পারে।
জানা যায়, কুড়িগ্রামের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম নিজের এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরেন। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এলাকার গরুগুলো নদী পার হয়ে দূরে গিয়ে ঘাস খায়—এখানে একটি সেতু নির্মাণ হলে মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে তিনি দাবি জানান। অন্য একটি ভিডিওতে তিনি পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে গ্রামের রাস্তাঘাটের দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরেন।
যদিও অনেকে তাকে নিয়ে হাসি-তামাশা করছেন, তবে সচেতন মহলের মতে, তাজুল ইসলাম একজন সাধারণ মানুষ হয়েও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সামনে আনছেন। তার উপস্থাপনা বা পোশাক হয়তো আকর্ষণীয় নয়, কিন্তু বাস্তবতা তুলে ধরার সাহস এবং এলাকার উন্নয়নের দাবি জানানোর প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
Spread the love