Dhaka ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাপাহারে সরকারি রাস্তা দখল করে আড়ৎ নির্মাণ, গ্রামবাসীর লিখিত অভিযোগ। চকরিয়ায় সহোদর ভাইয়ের বিরুদ্ধে বসতঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সাতক্ষীরায় ডিবি ইউনাইটেড হাই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান বাকেরগঞ্জে অসহায় ভ্যান চালকের জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ ভাণ্ডারিয়ায় বায়নের খাল কচুরিপানার দখলে ৪০ হাজার পরিবার নিত্য ব্যবহার্য পানি সংকটে বাড়ছে রোগব্যাধি কাউখালীতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি ভান্ডারিয়ায় খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সাতক্ষীরা যানজটে অ’চ’ল রোদে পুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা সাতক্ষীরা নববর্ষে সাতদিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

আমি সাংবাদিক না, পেটের দায়ে ভিডিও বানাই ”—ভাইরাল তাজুল ইসলামের আবেগঘন বক্তব্য

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ৭৫ Time View
সাউথ বেঙ্গল নিউজ ডেস্ক ;
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওকে ঘিরে আলোচনায় উঠে এসেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাজুল ইসলাম। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে ‘সাংবাদিক’ হিসেবে উপস্থাপন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, তিনি কোনো সাংবাদিক নন; জীবিকার তাগিদেই ভিডিও তৈরি করেন।
একটি ভিডিওতে তাজুল ইসলাম নিজের জীবনের কষ্টের কথা তুলে ধরে বলেন, “স্যার, আমি হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। আমাদের নিজের কোনো জমি নেই। ফুফাতো ভাইয়ের জমিতে একটি ভাঙাচোরা ঘরে বসবাস করছি। এটি ভেঙে গেলে মাথা গোঁজার ঠাঁই থাকবে না। আমি নির্মাণ শ্রমিকের হেল্পার হিসেবে কাজ করি। পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি।”
এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তার এই কান্না ও সরল স্বীকারোক্তি অনেকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। বাস্তবতার নির্মম চিত্র তুলে ধরা এই মানুষটি দেখিয়েছেন, দারিদ্র্য আর অসহায়ত্ব একজন মানুষকে কতটা ভেঙে দিতে পারে।
জানা যায়, কুড়িগ্রামের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম নিজের এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরেন। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এলাকার গরুগুলো নদী পার হয়ে দূরে গিয়ে ঘাস খায়—এখানে একটি সেতু নির্মাণ হলে মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে তিনি দাবি জানান। অন্য একটি ভিডিওতে তিনি পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে গ্রামের রাস্তাঘাটের দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরেন।
যদিও অনেকে তাকে নিয়ে হাসি-তামাশা করছেন, তবে সচেতন মহলের মতে, তাজুল ইসলাম একজন সাধারণ মানুষ হয়েও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সামনে আনছেন। তার উপস্থাপনা বা পোশাক হয়তো আকর্ষণীয় নয়, কিন্তু বাস্তবতা তুলে ধরার সাহস এবং এলাকার উন্নয়নের দাবি জানানোর প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাপাহারে সরকারি রাস্তা দখল করে আড়ৎ নির্মাণ, গ্রামবাসীর লিখিত অভিযোগ।

আমি সাংবাদিক না, পেটের দায়ে ভিডিও বানাই ”—ভাইরাল তাজুল ইসলামের আবেগঘন বক্তব্য

Update Time : ০৪:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
সাউথ বেঙ্গল নিউজ ডেস্ক ;
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওকে ঘিরে আলোচনায় উঠে এসেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাজুল ইসলাম। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে ‘সাংবাদিক’ হিসেবে উপস্থাপন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, তিনি কোনো সাংবাদিক নন; জীবিকার তাগিদেই ভিডিও তৈরি করেন।
একটি ভিডিওতে তাজুল ইসলাম নিজের জীবনের কষ্টের কথা তুলে ধরে বলেন, “স্যার, আমি হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান। আমাদের নিজের কোনো জমি নেই। ফুফাতো ভাইয়ের জমিতে একটি ভাঙাচোরা ঘরে বসবাস করছি। এটি ভেঙে গেলে মাথা গোঁজার ঠাঁই থাকবে না। আমি নির্মাণ শ্রমিকের হেল্পার হিসেবে কাজ করি। পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি।”
এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তার এই কান্না ও সরল স্বীকারোক্তি অনেকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। বাস্তবতার নির্মম চিত্র তুলে ধরা এই মানুষটি দেখিয়েছেন, দারিদ্র্য আর অসহায়ত্ব একজন মানুষকে কতটা ভেঙে দিতে পারে।
জানা যায়, কুড়িগ্রামের বাসিন্দা তাজুল ইসলাম নিজের এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরেন। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এলাকার গরুগুলো নদী পার হয়ে দূরে গিয়ে ঘাস খায়—এখানে একটি সেতু নির্মাণ হলে মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে তিনি দাবি জানান। অন্য একটি ভিডিওতে তিনি পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে গ্রামের রাস্তাঘাটের দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরেন।
যদিও অনেকে তাকে নিয়ে হাসি-তামাশা করছেন, তবে সচেতন মহলের মতে, তাজুল ইসলাম একজন সাধারণ মানুষ হয়েও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সামনে আনছেন। তার উপস্থাপনা বা পোশাক হয়তো আকর্ষণীয় নয়, কিন্তু বাস্তবতা তুলে ধরার সাহস এবং এলাকার উন্নয়নের দাবি জানানোর প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
Spread the love