Dhaka ১০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাপাহারে সরকারি রাস্তা দখল করে আড়ৎ নির্মাণ, গ্রামবাসীর লিখিত অভিযোগ। চকরিয়ায় সহোদর ভাইয়ের বিরুদ্ধে বসতঘরে ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সাতক্ষীরায় ডিবি ইউনাইটেড হাই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান বাকেরগঞ্জে অসহায় ভ্যান চালকের জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ ভাণ্ডারিয়ায় বায়নের খাল কচুরিপানার দখলে ৪০ হাজার পরিবার নিত্য ব্যবহার্য পানি সংকটে বাড়ছে রোগব্যাধি কাউখালীতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি ভান্ডারিয়ায় খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সাতক্ষীরা যানজটে অ’চ’ল রোদে পুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা সাতক্ষীরা নববর্ষে সাতদিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

ঈদের আমেজে মধ্য বিন্নায় আধ্যাত্মিক আয়োজন, ৩০০ কণ্ঠে কুরআনের সুর

ঈদের আনন্দ মানেই শুধু উৎসব আর বিনোদন—এ ধারণাকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গেছে নেছারাবাদের মধ্য বিন্না যুব সমাজ। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তাদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমধর্মী “কুরআন তিলাওয়াত ও গজল প্রতিযোগিতা–২০২৬”, যা পরিণত হয় এক হৃদয়ছোঁয়া আধ্যাত্মিক মিলনমেলায়।

ঈদের দ্বিতীয় দিনে স্থানীয় মক্তব-মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় প্রায় ৩০০ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগীরা তাদের সুমধুর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত ও গজল পরিবেশন করে। তাদের সুরেলা আবৃত্তি আর হৃদয়গ্রাহী পরিবেশনা মুহূর্তেই মোহিত করে উপস্থিত দর্শকদের।

দিনব্যাপী এ আয়োজন শুধু একটি প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি রূপ নেয় এক ব্যতিক্রমী আধ্যাত্মিক পরিবেশে, যেখানে ধর্মীয় আবহ আর ঈদের আনন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। সন্ধ্যায় আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে মনোজ্ঞ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস.কে. নোমান, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সংসদের শিল্প বিষয় সম্পাদক নুরুল ইসলাম বিপ্লব, বলদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক এনামুল হক রতন, সমাজসেবক রিয়াদুল ইসলাম রিদুল, “সবার আগে বলদিয়া” টিমের সভাপতি শরীফ মাসুদ পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ আয়োজনের পেছনে সার্বিক সহযোগিতা করেন মহসিন মিয়া, আব্দুল জলিল ও তরিকুল ইসলামসহ স্থানীয় কয়েকজন উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী। এলাকাবাসীর মতে, এমন আয়োজন ঈদের আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে। এটি শুধু বিনোদনের গণ্ডি পেরিয়ে নতুন প্রজন্মের মাঝে কুরআনের প্রতি ভালোবাসা এবং নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আয়োজকরা জানান, তরুণদের ধর্মীয় চর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।

Spread the love
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সাপাহারে সরকারি রাস্তা দখল করে আড়ৎ নির্মাণ, গ্রামবাসীর লিখিত অভিযোগ।

ঈদের আমেজে মধ্য বিন্নায় আধ্যাত্মিক আয়োজন, ৩০০ কণ্ঠে কুরআনের সুর

Update Time : ০৬:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

ঈদের আনন্দ মানেই শুধু উৎসব আর বিনোদন—এ ধারণাকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গেছে নেছারাবাদের মধ্য বিন্না যুব সমাজ। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তাদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমধর্মী “কুরআন তিলাওয়াত ও গজল প্রতিযোগিতা–২০২৬”, যা পরিণত হয় এক হৃদয়ছোঁয়া আধ্যাত্মিক মিলনমেলায়।

ঈদের দ্বিতীয় দিনে স্থানীয় মক্তব-মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় প্রায় ৩০০ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগীরা তাদের সুমধুর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত ও গজল পরিবেশন করে। তাদের সুরেলা আবৃত্তি আর হৃদয়গ্রাহী পরিবেশনা মুহূর্তেই মোহিত করে উপস্থিত দর্শকদের।

দিনব্যাপী এ আয়োজন শুধু একটি প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি রূপ নেয় এক ব্যতিক্রমী আধ্যাত্মিক পরিবেশে, যেখানে ধর্মীয় আবহ আর ঈদের আনন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। সন্ধ্যায় আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে মনোজ্ঞ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস.কে. নোমান, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সংসদের শিল্প বিষয় সম্পাদক নুরুল ইসলাম বিপ্লব, বলদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক এনামুল হক রতন, সমাজসেবক রিয়াদুল ইসলাম রিদুল, “সবার আগে বলদিয়া” টিমের সভাপতি শরীফ মাসুদ পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ আয়োজনের পেছনে সার্বিক সহযোগিতা করেন মহসিন মিয়া, আব্দুল জলিল ও তরিকুল ইসলামসহ স্থানীয় কয়েকজন উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী। এলাকাবাসীর মতে, এমন আয়োজন ঈদের আনন্দকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে। এটি শুধু বিনোদনের গণ্ডি পেরিয়ে নতুন প্রজন্মের মাঝে কুরআনের প্রতি ভালোবাসা এবং নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আয়োজকরা জানান, তরুণদের ধর্মীয় চর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।

Spread the love