সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ;
সোনালী ধানের শীষে যখন ভরে ওঠার কথা ছিলো ফসলের মাঠ, সেখানে এখন হতাশার ছবি। পরম যত্ন, শ্রম আর ব্যয়ের পরও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ফলন। অধিক লাভের আশায় কেনা বীজ আর কীটনাশকই এখন কৃষকদের জন্য হয়ে উঠেছে বড় দুশ্চিন্তার কারণ।
সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের অভিযোগ, বিএডিসির নাম ব্যবহার করে নিম্নমানের বীজ বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি বাজারে ছড়িয়ে পড়েছে নকল কীটনাশক। ফলে জমিতে ধানের শীষ ঠিকমতো আসছে না, আবার কোথাও ফলন আশানুরূপ হচ্ছে না।
কৃষকরা জানান, অনেক আশা নিয়ে জমিতে বীজ বপণ করলেও ফলন আশানরূপ না। কীটনাশক প্রয়োগ করেও পোকামাকড় দমন করা যায়নি। এতে উৎপাদন খরচ বেশি ও ফলন কম হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।
কৃষকদের আশঙ্কা, এভাবে ভেজাল বীজ ও নকল কীটনাশকের ব্যবহার চলতে থাকলে কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন তারা।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিনে গিয়ে বীজে মিশ্রণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর উৎস যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একদিকে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে ফলন কমে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে শুধু কৃষকের ক্ষতিই নয়, সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাও হুমকির মুখে পড়বে এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।