প্রতিনিধি,নেছারাবাদ ;
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল পেদাবাড়ী এলাকায় অবস্থিত ‘দক্ষিণ-পূর্ব সোহাগদল ছালেহীয়া এতিমখানা’ থেকে সরকারি ভাতা উত্তোলনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এতিমখানায় প্রকৃতপক্ষে ৮-৯ জন এতিম থাকলেও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে ২৮ জন এতিমের নামে ভাতা উত্তোলন করা হচ্ছে। অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. রফিকুল ইসলাম।
সমাজসেবা অফিসে ৫৮ জন এতিমের তালিকা দেওয়া হয়েছে এবং সেখান থেকে ২৮ জনের ভাতা তোলা হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ অর্থ দিয়ে ইফতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করা হতো। বিষয়টি নিয়ে তিনি একাধিকবার সমাজসেবা অফিসে অভিযোগ করলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এতিমখানা ও হেফজখানা মিলিয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০ থেকে ৩৫ জনের মধ্যে। তবে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এতিম ও দুস্থ মিলিয়ে এখানে প্রায় ৩৭ থেকে ৪০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ক্যাশিয়ার আকবর হোসেন এর সত্যতা শিকার করে বলেন, “আমাদের এখানে ৮-৯ জন এতিম আছে, তবে এতিমখানা ও হেফজখানা একসঙ্গে পরিচালিত হয়। এতিম ও দুস্ত মিলে সরকার থেকে ২৮ জনের ভাতা উত্তোলন করা হয়।” ১৬ বছর দরে দুটি প্রতিষ্ঠান একসাথে পরিচিত হতো।
অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির ছেলে মকবুল হোসেন দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৩৭ জন এতিম রয়েছে।তবে তিনি হেবজু বিভাগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
নেছারাবাদ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বলেন, “আমি নতুন যোগদান করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”